
সেলিম মণ্ডল-এর পাঁচটি কবিতা
প্রে ম
ধূপ-জ্বালানো সন্ধ্যায় তুমি তুলসিতলায় যাবে
আমি আজান শুনে তোমার দিকে তাকাব
এই প্রেমেই দেখব সাদা-পাকা চুলে চাঁদ উঠেছে
আর গ্রহণ কেটে গেছে পাড়ায় পাড়ায়
বি রা গ
তুমি অসুস্থ
তাই চাঁদ ওঠেনি
তারারা ডুবে গেছে ভয়াল অন্ধকারে
দূরে কারা কাজ করে?
পথে পথে পড়ে থাকে কাস্তে ও হাতুড়ি
লাল গোলাপ— তাও কি প্রেমিক-প্রেমিকার সয় না?
আ প ন-প র
আপন
হাঁটতে হাঁটতে সে চলে গেছে দূরে
তাকে কখনো দেখিনি
তার পায়ের ছাপ এত গভীর তাকে আপন মনে হয়
পর
এত কাছে ছিল সে—
তাকে ভোলবার নয়
তবুও সে চলে গেল ফিরে আসার অছিলায়
র ঙি ন
এখনো রাত আসে খালি পায়ে
আমি শুনি তার নিঝুম পায়ে ঝুমঝুমির শব্দ
এই বুঝি খেলা হবে? খেলনাপাতি কই?
ঘুম আসে না। একটি কচ্ছপ আমার শরীরে রেখে
বিয়ে বিয়ে খেলি
কালো রাত— লাল পেড়ে শাড়ি পরে
কপালে দেয় টিকলি, নাকে নোলক
বিয়ে হয়ে যায়
বাসর রাতে কচ্ছপের খোলসে রাত হয়ে যায় আরও রঙিন
ফা গু ন
আঘাত ফিরে আসবে ভেবে জল মাপিনি
জলই চেয়েছে— ফিরিয়ে দিতে?
এত ঢেউ ফণা তোলে, বিষ কই?
শরীরেই শরীর ঘষে মুছেছি আয়ু, ঘাম…
ঘ্রাণের দরজা ঘুম অবধি এসে
চৌচির করে, যা কিছু প্রলোভন
ফিরে এসেছি মুদ্রাদোষে, মুদ্রায় সেই জ্বলছে ফাগুন!

