
শ্রাবণী গুপ্ত-র কবিতা
জ্যোৎস্নাবিলাসী
১.
‘শ্যাম’ ‘শ্যাম’ বলে ডাকে
কোজাগরী পূর্ণিমার চাঁদ
জানে —
বাঁশিই অ-সামান্য সেই ফাঁদ
বেজে উঠলে, জেগে ওঠে
শ্যামসোহাগীর মনে তরঙ্গ হঠাৎ।
২.
সোহাগ বোঝোনা ছাই
ভালোবাসা বোঝো!
জন্ম বোঝো! জন্মান্তর বোঝো!
কিছুই বোঝোনা তবু
কেন যে শ্যামের আগে প্রতিজন্মে
রাধা নাম খোঁজ!
৩.
মাটি আঁকড়ে পড়ে আছে
জোৎস্নায় দ্রবীভূত রাত
এ মাটি শ্যামের-ই নাম
এ রাত রাধার-ই নামে আলো
জ্যোৎস্নাবিলাসী মেয়ে মাঝরাতে
কুহক ছড়ালো।
৪.
যতেক যাতনা পেল
না পেল বাহির নাহি ঘর
অঙ্গ জ্বলে জ্বালা পেল
সঙ্গে পেল বিরহের জ্বর
শুধু কি এসবই পেল!
তবে যে আজন্ম কাল ‘রাধা’ ‘রাধা’ বলে গেল,
কৃষ্ণের ও-বাঁশির স্বর।

