
কস্তুরী সেন-এর কবিতা
জপ
সুন্দরের সামনে কেন চোখে জল আসে?
সুন্দর কেমন, তিনি এই যাত্রা
কোথায় গেলেন চলে, কোন অন্তরালে
শুধু গন্ধরেণুটুকু,
শুধু অকস্মাৎ ভোরের কীর্তন,
আর ‘কী নাম’ শুধোলে শিশু লুকোয় যখন –
তার সে লুকিয়ে পড়া হাসিটুকু ফেলে
যাতে মাঝে মাঝে মনে হয়
তিনি সত্য!
এইমাত্র ঘটে গেছে লোককথা জনস্রোতপথে
সুন্দর কেমন
তা জানাতে সুন্দরের ভুল হয়ে গেছে
শুধু নাম শোনামাত্র চোখে কেন এত জল আসে
এষ সচন্দন
একা টিকে যাব আমি
একটি জলের গ্লাস একমাত্র পারা ওঠা আয়নার মতো
এড়াবে সবাই
বিকেলে শিশুরা যেন, ছত্রভঙ্গ অতিন্যুব্জ ছায়াদেহডরে
তবু এ জমিতে সাদা লিখে রাখব
ঘৃণাযুদ্ধস্লোগানের, সমাজনীতির কিংবা
আবিশ্ব সময় এই
কোনওখানে নেই কারও কিছুমাত্র প্রবেশাধিকার…
প্রেম এসো মাঝেমধ্যে
বয়স অনেক হল, তবু এসো
সংসারফেরত যত ব্যথা সামলে কড়া নেড়ো
ভাঙা দরোজায়
একান্ত তোমারই আমি, তুমি কবিতার


বহুদিন পর পড়লাম । ভালো লেখা । কিন্তু লেখার বিষয়টি নিয়ে কয়েকটা কথা বলা ভালো । অনেকবছর আগে থেকে এ যাবৎ পর্যন্ত প্রায় সব কবিতাই ইমপ্রেশনিস্ট। পর্বভিত্তিক, উচ্চারণে ধ্বনি ও যতির ব্যবহার করে চটুল ও স্বাভাবিক ছন্দে অস্পষ্ট বিষয়কে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শেষে পুরো বিষয়কে বুঝিয়ে দেন ইমপ্রেশনিস্টদের মতো । কাজেই কবিতাটি রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বলতে গেলে ‘চিত্ররূপময়’! ‘রাজা ও রানী’ নাটকে রবীন্দ্রনাথ নাটকের কাব্য সংলাপে মধুসূদন প্রবর্তিত অমিত্রাক্ষর ছন্দে যেভাবে লিখছে—
‘ইলারে দেখিয়া যাবে?
কী হইবে দেখে তারে! কি হইবে দেখা
দিয়ে! স্বার্থপর! রয়েছে মৃত্যুর মুখে
অপমান বহ্নি –গৃহহীন, আশাহীন,
কেন আসিয়াছে ইলার হৃদয় মাঝে
জাগাতে প্রেমের স্মৃতি?’
পয়ারে লেখা অমিত্রাক্ষর! তদুপরি গদ্য কবিতাও । এক্সপ্রেশনিস্ট গদ্য কবিতার সঙ্গে কত তফাৎ ।কাব্যের পয়ার যদি কবির বেঁধে দেয়, খুব মুশকিল হবে ইমপ্রেশনিস্ট লুপ থেকে কবির নিজের কবিতাকে বের করা ।
বহুদিন পর পড়লাম । ভালো লেখা । কিন্তু লেখার বিষয়টি নিয়ে কয়েকটা কথা বলা ভালো । অনেকবছর আগে থেকে এ যাবৎ পর্যন্ত প্রায় সব কবিতাই ইমপ্রেশনিস্ট। পর্বভিত্তিক, উচ্চারণে ধ্বনি ও যতির ব্যবহার করে চটুল ও স্বাভাবিক ছন্দে অস্পষ্ট বিষয়কে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শেষে পুরো বিষয়কে বুঝিয়ে দেন ইমপ্রেশনিস্টদের মতো । কাজেই কবিতাটি রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বলতে গেলে ‘চিত্ররূপময়’! ‘রাজা ও রানী’ নাটকে রবীন্দ্রনাথ নাটকের কাব্য সংলাপে মধুসূদন প্রবর্তিত অমিত্রাক্ষর ছন্দে যেভাবে লিখছে—
‘ইলারে দেখিয়া যাবে?
কী হইবে দেখে তারে! কি হইবে দেখা
দিয়ে! স্বার্থপর! রয়েছে মৃত্যুর মুখে
অপমান বহ্নি –গৃহহীন, আশাহীন,
কেন আসিয়াছে ইলার হৃদয় মাঝে
জাগাতে প্রেমের স্মৃতি?’
পয়ারে লেখা অমিত্রাক্ষর! তদুপরি গদ্য কবিতাও । এক্সপ্রেশনিস্ট গদ্য কবিতার সঙ্গে কত তফাৎ ।কাব্যের পয়ার যদি কবির হাত বেঁধে দেয়, খুব মুশকিল হবে ইমপ্রেশনিস্ট লুপ থেকে কবির নিজের কবিতাকে বের করা ।
Reply