
আত্রেয়ী চক্রবর্তীর কবিতা
দংশন
১.
একটি পুরুষ ভাতের হোটেল
স্ব-স্নেহে বেড়ে দেওয়া ডাল, ঝোল, পিঁপড়ের ডিম
বুকের বোঁটায় বিষ, মুচকুন্দ ফুল
২.
তৃতীয় নয়ন জুড়ে ভগ্নপ্রাচীর
হাওয়া দেয়, চোতমাস
রুটির সন্ধান
আনো কাঠ, জাউ, তিলে ও কাঞ্চনে ধোঁয়াওঠা আমারই চিতা
কৈবর্ত দেহ দেখে শ্রীখোল বাজে
আমাকে নাও হে হরি!
৩.
কীভাবে যে ডাকি তাকে!
আঙুলের খেল, মহুয়া পিষে দিলে গনগনি আঁচ
পায়ের কিনারে চিতেবোড়া
পরনে ছাপা শাড়ি, ন্যাংটোটি বছর তিনেক
কাতরতা অর্থে ভেজে অঙ্গ, দায়
পাপের ঘড়া
এ-ক্ষুধা মিটেছে ঢের
মাছ-মাংস ছাড়া দিব্যি দু-মুঠি
হাতে দাও ল্যাবেঞ্চুস, ঋজু
প্রকৃতি হতে গিয়ে প্রসাদী ফকির
সেকি হড়কানি মাগো!
পুরুষে বাজে…


ওঃ!
সার্থকনামা কবিতাত্রয়ীর ছোবলে
যে দাগ রয়ে গেল
হোক তা দহন, তবু অসহন থেকে দূরে
ধিকিধিকি জ্বলেছে রুহানি
জানি, মিথ্যে নয় জানি
তবু সত্য বলে ধারণের জন্য যতটুকু
সামর্থ্যের সীমানা ছাড়িয়ে যেতে চায়
বোধ অবতল থেকে কয়েকটি বিন্দু গড়ায়
জমে থাকে স্ফটিকের মত স্মৃতির পালকে…