
চন্দন ঘোষ-এর কবিতা
পুরোনো বন্ধুর মতন
চল, নিঃসঙ্গতার সঙ্গে আজ কিছু বাতচিত করি
তুমি একটি কাশগুচ্ছ ছোঁড়ো
দেখো সে উপহার দেবে স্বর্গীয় ধূপের গন্ধ এক
এ আমার নিজস্ব নিঃসঙ্গতা,পুরোনো বন্ধুর মতন চোখ বুজে এর কাঁধে তুমি একটু মাথা রাখতে পারো
#
ওকে তুমি একমুঠো ভোরের শিউলি দিয়ে দেখো
ও তোমার সারা গায়ে সন্ধের চন্দন লেপে দেবে
শব্দ নেই, বর্ণমালা নেই, তবুও সে
নিঃশব্দে তোমায় এসে শৈশবের গল্প বলে যাবে
#
আয়নায় দেখ, এ নিঃসঙ্গতা আসলে তো আমি
কখনো তোমারই জন্য শূন্য থেকে বন্ধ ঘরে নামি।
জোকারেরা নাচে
যাদের পুরোপুরি ভুলে যেতে চাই
তারাই ভারতনাট্যম নাচে মঞ্চে ঘুরে ঘুরে
#
ফুটপাথে পড়ে ও কে
হাতের বাঁশিটি ওর কোথায় গিয়েছে
আমি তার সুর কেন বিস্মৃত হয়েছি
#
অভিমানী মানুষেরা মাথা নিচু
হেঁটে যায় উপেক্ষার নদী পার হয়ে
ভারতনাট্যম তবু ওদের দুধের বাটি নয়
#
হাজার মানুষের তরঙ্গে উদ্বেল
ঢেউয়ের মাথায় নাচে টালমাটাল মঞ্চের জোকার
রাবণ বধের মাঠে দাউ দাউ শুরু হয়ে গেছে।

