তরশু <br /> সম্বিত বসু

তরশু 
সম্বিত বসু

শ্যামবাজার মেট্রোর সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে বুকপকেট থেকে একটা ২ টাকার কয়েন লাফিয়ে-গড়িয়ে-হেলে নেমে গেল নীচে, খুচরো মানুষের মতোই। এখন নীচে নেমে, দু’টাকা উদ্ধার করে, আবার ওঠা, খুব ঝক্কির।

কিন্তু শুধুই এটা কারণ নয়। গড়িয়ে গড়িয়ে পয়সাটা যেখানে পড়েছে, তা আর দেখা যাচ্ছে না। মানে পয়সাও আমাকে দেখতে পাচ্ছে না, আমিও পয়সাকে। এখন সেটা খুঁজে, ঝুঁকে যখন তুলব, আরও অনেক মানুষ দেখবে। তাছাড়া টাকাপয়সা তো হাতফেরতা হওয়ার জন্যই। এমন কত দিন গিয়েছে, বাজারহাটের পর ৫০০ টাকা দিয়েছি, বাজার নিয়েছি, ফিরে চলে এসেছি। পয়সা ফেরত আনিনি। হঠাৎ দুপুরবেলা খেতে খেতে মনে হয়েছে, আরেহ, টাকা তো ফেরত নেওয়া হয়নি। কিন্তু ওই ভরদুপুরে, দোকান বন্ধ। এদিকে না-খেয়ে পাত ছেড়ে ওঠা বারণ। পরের দিন, যদি বাজারের ভিড়ে গিয়ে বলি, ও মশাই, আগের দিনের টাকাটা নেওয়া হয়নি। আর উল্টোদিক থেকে যদি উত্তর আসে: না না, আপনি ফেলে দিয়েছেন দেখুন রাস্তাঘাটে। তখন? তখন তো গতদিনের রাস্তাঘাট দেখতে হবে? কী করে গতদিনে পৌঁছনো যায়? কোন পথে? তার চেয়ে এমনটা ভাবা ভালো যে, অন্যান্য দিনের তুলনায় দামি মাছ, দামি সবজি খাচ্ছি।

 

এই যে টাকা ফেরত না-নেওয়া, বা গড়িয়ে পড়া পয়সা– এমন অভ্যাস ছিল বাবারও। ছুটির দিন দুপুরে বিছানায় বাবা শুলে, বিকেলে আমার বাদামভাজা, কোনও কোনও দিন চপ-ফিশ ফিঙ্গার পর্যন্তও জুটে যেত। মা, মাঝে মাঝে, বাবার পকেট থেকে টাকা হাওয়া করে জমিয়ে রাখত। মাসের শেষে, বা হঠাৎ কোনও প্রয়োজন পড়লে, তবেই সেই সিন্দুক বেরত আলমারি থেকে। কাজের দিদির হঠাৎ দরকার পড়লে। কিংবা ঠাকুরের ফুল। হঠাৎ এসে পড়া আত্মীয়স্বজনের ছোট ছেলেমেয়ের হাতে কিছু নগদ দেওয়া। এইসব।

 

আর দু’টাকাটা তো খুব বড় ব্যাপার না। কিন্তু অনেকে বলেন, সেটাও বিরাট ব্যাপার। ছোট ছোট করেই বিরাট একটা কাণ্ড হয়। ছোট ছোট চুমু থেকে যৌনযাত্রা, উল্টোযৌনযাত্রা। এক-দু’রান নিয়ে নিয়ে একসময় সেঞ্চুরি। ৬-৭ লাইনের কবিতা থেকে আস্ত একখানা কবিতাপুস্তকা। একটামাত্র পিঁপড়ের পিছন পিছন যেতে যেতে হঠাৎ পিঁপড়ের সারি। একটা একটা করে খুন করতে করতে তিনটে পেরলেই তো সিরিয়াল কিলার! টাকার ব্যাপারটাও নাকি সেরকম। ভাঁড়ে-টাঁড়ে আজকাল কেউ জমায় না আর। দশকর্মা দোকানের বাইরে একটা-একটা করে সার দেওয়া নানা আকারের লক্ষ্মীর ভাঁড় দেখা যায় না। মাটির, সহজে ভাঙা যায়। মাঝের গর্তটায় খুচরো ঢোকালে গর্তর চারপাশ থেকে ধুলো ওড়ে মাঝে মাঝে। এখন তাই পিগি ব্যাঙ্ক। তবে নেহাতই কিশোর-কিশোরীদের জন্য। আধদামড়া হয়ে কেউই তা ব্যবহার করে না।

 

এখন হয়েছে এসআইপি। সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান। মাসে মাসে, তা খুব কম হলেও, জমা রাখুন। টাকা আসবে। যত বেশি সময় টাকা রাখবেন, তত বেশি টাকা। ১০ বছরে যা, ২০ বছরে তার ডাবলেরও বেশি। এমনই সব তথ্য-পরিসংখ্যান। যদিও একটাই গোলমেলে ব্যাপার, মূল্যবৃদ্ধির কেসটা স্পষ্ট করে বলাকওয়া নেই। তাও, বিষয়টা লাভজনক– বারবার করে বোঝোনো হয়েছিল আমাকে। কিন্তু করা হয়নি। এই এক দোষ। আজ করব। কাল করব। পরশু করব। আজ-কাল-পরশু মিটে গেলেও যদিও থেমে থাকে সেই কাজ। আমার তরশুর প্রতি বিশ্বাস অগাধ।

 

শ্যামবাজারের রাস্তায় নেমে পড়তে খানিক শান্তি। খুন করার পর, যেমন খুনি ঘটনাস্থান থেকে দ্রুত দূরে চলে যেতে পারলে বাঁচে, আমিও তেমন ঘটনাস্থান ছেড়ে ভিড়ের মধ্যে মিশে গিয়েছি। অদূরেই আর জি কর মেডিকেল কলেজ। একবারই গিয়েছি সেখানে। অসুস্থ হয়ে নয়।

 

এককালে এক স্বাস্থ্য পত্রিকায় কাজ করতাম, নানা চিকিৎসকের সাক্ষাৎকার নিতে হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরে বেড়াতে হত। কখনও সখনও খুব ভোরবেলা, কখনও বিকেলের পর, চেম্বারে। নানা আজব অসুখ, রোগী, মৃতদেহ। আর জি করেই, এক মনোচিকিৎসকের সাক্ষাৎকার করতে গিয়ে শুনেছিলাম দুই রোগীর কথোপকথন।

 

–কেমন আছেন?

–এই তো, এখনও বেঁচে।

–আপনার আত্মহত্যা করতে এখনও ইচ্ছে করে, না কমেছে?

–না। করে তো। গতকাল সন্ধেতেই করছিল। খবরের কাগজ পড়তে পড়তে, হঠাৎ ইচ্ছে করল। তারপর মনে পড়ল, আজ নাম লেখানো আছে ডাক্তারবাবুর কাছে। তাই আর করলাম না।

 

বাঁদিকের দোকান থেকে মুরগির পালক উড়ে আসছে। মাঝে মাঝে মুরগির পিঠে ঘুব্‌ করে মারার কৌশল। পাশ দিয়ে যে লোকটা থুতু ফেলে এগল, সে মিষ্টি কেনার দোকানে দাঁড়িয়ে পড়েছে। আমি এসেছি একটা পরিচয় পত্রিকার পুরনো একটা বাঁধানো সেট নিতে। গোপাল সাহার থেকে।

 

গোপাল সাহা, পুরনো বইয়ের বিক্রেতা। সিঁথিতে বাড়ি। ফেসবুক গ্রুপের মালিক। সেখানে বইয়ের ছবি দেন। ক্রেতারা ‘বুক’ করেন। টাকা পেমেন্ট করে দিতে হয় অনলাইনে। ক’দিনের মধ্যেই পোস্টে এসে পড়ে বই। কিন্তু এই পরিচয়ের সেটটার জন্য সে-অপেক্ষা করা সম্ভব হয়নি আমার। একে দামটা কম। আর ওমন সব সংখ্যা, একসঙ্গে। তাই অফিস যাওয়ার আগে। শ্যামাবাজারে নেমে পড়া।

 

গোপাল সাহা অতি ভদ্রলোক। একদিন বাড়ি যেতে বললেন। বললেন, অনেক পুরনো বই আছে। আজকাল সবাই তো মরলেই ফেলে দেয়। ডেথ সার্টিফিকেটের অরিজিনাল কপির আগে, রাস্তায় চলে যায় মৃতের সারাজীবনের বইয়ের সম্ভার। কথাটা ভুল বললেনি গোপাল সাহা। কিন্তু সেসব কথাবার্তা ছেড়ে, আমি গোপাল সাহাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কত বয়স আপনার?’ গোপাল সাহা বললেন, ‘তেষট্টি।’ গোপাল সাহাকে দেখে মনে হল না তিনি কোথাও ইনভেস্টমেন্ট করেছেন। তাই তো অবসরের তিন বছর পরেও, সিঁথি থেকে এই শ্যামবাজারে এসেছেন বই দিতে। গোপাল সাহার জন্য আমার খারাপই লাগল। পকেটের ওপরদিকের সেলাই খুলে গিয়েছে তাঁর। একটু নীলচে পঞ্চাশ টাকার নোট, একটা খয়েরি দশ টাকা। আর কিছু কাগজ উঁকি মারছে সেখান থেকে। মনে মনে ভাবলাম, আজ ইনভেস্টমেন্টটা করে ফেলতে হবে। আজই। কাল নয়। পরশু তো নয়ই। তরশু, বলা যায় না, লাভের মুখ দেখব!

 

আমার বয়স ৩৬। অবিবাহিত। আমি সংবাদপত্রে চাকরি করি। লেখা এলে কাটাকুটি করি। নির্ভুল করার চেষ্টা করি। কখনও সখনও লিখতে বলি কলম পিষিয়েদের। যা টাকা পাই, তা দিয়ে আজ-কাল কোনও রকমে চলে যাবে। কিন্তু পরশু? আজ চলবে, কাল চলবে, পরশু?

 

এমনটা জিজ্ঞেস করে আমার বান্ধবী। বান্ধবী স্ত্রীর মতো ব্যবহার করে। সে-ই বুঝিয়েছে ‘ইনভেস্টমেন্ট’ কাকে বলে। আমি বুঝি। আমি বুঝি ভবিষ্যৎ খুব ভালো নয়। কিন্তু ভবিষ্যতের দারিদ্রের জন্য চিন্তা করলে আমি বুঝতে পারতাম না কীরকম হবে আমার শরীর, আমার মুখ, আমার জামাকাপড়। আজ বুঝতে পারলাম, তা হবে গোপাল সাহার মতো।

 

অদ্ভুত ব্যাপার, বাবা ব্যাঙ্কে কাজ করতেন। বাবা কোনও দিন সঞ্চয়ের কথা বলেননি। ভবিষ্যতের কথা বলেননি। বাবা লেখালিখি করতেন। বাবা লেখার কথাও বলেননি। বললেও শুনিনি। বাবা নকশাল করতেন। আমি নকশাল করিনি। আমি রাজনীতিই করিনি কখনও। এমনকী, মিছিলেও হাঁটিনি। মিছিল গিয়েছে যখন আমি তাকিয়ে দেখেছি শুধু কী লেখা আছে পোস্টারে? কী লেখা আছে মানুষের হাতে-পায়ে-মুখে?

 

গোপাল সাহা চলে গেলেন। ধীর কদমে। নীল একটা বাসে উঠলেন। আমিও হাঁটতে হাঁটতে মণীন্দ্র কলেজের গায়ের ফুটপাথে। উত্তর কলকাতার বাড়িগুলো কেন যে বারান্দাটুকু ভাড়া দেয় না, একথা মনে হয় বারবার। একটা সিগারেট খেতে হবে। পান গুমটির গায়ের দেওয়ালে হেলান দিয়ে সিগারেটটা ধরালাম। মেট্রোর এই দিকের গেটটার চারপাশ ঘিরে রয়েছে কলেজ পড়ুয়ারা। মনে পড়ল, এখন, নগদ টাকার এই মুহূর্তে আমি গোপাল সাহার থেকেও দরিদ্র। কারণ ওয়ালেটে পড়ে আছে পঞ্চান্ন টাকা। পঞ্চাশ টাকার একটা নোট। ডান পকেটে পাঁচ টাকার কয়েন।

 

বারান্দাগুলোর দিকে নিরুপদ্রব তাকিয়ে ছিলাম। কিন্তু মাথা নামাতেই হল। খাটো চেহারার ভদ্রলোক এসে দাঁড়িয়েছেন সামনে। বয়স কত হবে? এই চুয়াল্লিশ-পঁয়তাল্লিশ। ইন্দ্রলুপ্ত। কানের দু’পাশের চুল ঝালরের মতো। গায়ে লাল হাফহাতা গেঞ্জি।

এই মরেচে! এটা কি নো স্মোকিং জোন! উনি কি কলকাতা মেট্রোর কর্মচারী? ভাবনা ফুরয়নি।

–মে আই স্পিক উইথ ইউ ইন বেঙ্গলি?

হেলান থেকে সটান সোজা অবস্থায় দাঁড়িয়ে পড়লাম আমি।

–অফকোর্স, প্লিজ…

–আমি শ্রীরাম সান্যাল। আমি একটা ছোট ফার্মে কাজ করি। এই খানিকটা এগিয়ে ডানহাতে পড়ে।

–আচ্ছা।

–আমি থিয়েটার করি। দেবুদার দলে। দেবব্রত অধিকারী। ওই চিরঞ্জীবী নাট্যদল? সেখানে। বড় রোল না। ছোটখাটোই। কখনও সখনও বাইরেও কল আসে। তখন যেতে পারি না। বাড়ির সমস্যা। তখন লাল্টু করে। ও কিন্তু আমার মতো পারে না, কিন্তু কিছু তো করার নেই বলুন, বাড়ি তো আগে। নাটক তো পরেও হবে।

–না না, বাড়ি তো আগেই। মনে মনে ভাবি, আজ বাড়ি, কাল গাড়ি, পরশু জমি, তরশু বিদেশভ্রমণ।

–বাড়ি আসলে সোদপুরে বুঝলেন?

 

এবার বিরক্ত হতে শুরু করেছি। মশা যেমন বিরক্ত করে। রক্ত খাওয়ার আগে গান গায় না? সেইরকম বিরক্তি।

 

–বুঝলাম।

–আসলে আমার ছেলেটা স্পেশাল চাইল্ড। তায় দুরন্ত। দৌড়য়, রক্ত পড়ে, হাত-পা কাটে। কিন্তু ব্যথা লাগে না ওর। কী একটা সমস্যা বলুন? ব্যথাই লাগে না! এদিকে হাত ফালি হয়ে গেছে।

–বলেন কী!

 

সিগারেটটাও ফুরতে চলেছে। বিশেষ বাকি নেই। ফুরলেই ‘আসি তবে দাদা, আবার দেখা হবে কখনও’ বলে মেট্রোর দিকে দৌড় দেব।

 

–হ্যাঁ। আর দুঃখের কথা, স্ত্রী নেই। চলে গেছে।

–তাহলে বাড়িতে একা আপনার ছেলে আর আপনি?

–না, আমার মা আছে। বাবা গত হয়েছেন।

–আচ্ছা।

–আর কে আছে জানেন দাদা? দারিদ্র। দু’ইঞ্চি অন্তর দারিদ্র। খাটের ওপর, খাটের তলায়, দরজার বাইরে, রান্নাঘরে। আমি, মাইনে পাই সাড়ে তিন হাজার টাকা। রিহার্সালে তো কোনও টাকা নেই। নাটক হলে কখনও ৩০০, কখনও ৫০০। কিন্তু দু’মাসে এক-এক বার।

–বুঝতে পারছি।

–আমি নেশা-ভাং করি না। সিগারেট-বিড়িও না। আপনি কি আমাকে একটু হেল্প করতে পারেন? যা হোক সামান্য?

 

সিগারেট ফুরিয়ে গিয়েছে আমার। এখন আমি দ্রুত চলে যেতে পারি। অচেনা লোকের মুখের ওপর দিয়ে। আমি তো চিনি না তাঁকে। তিনিও। কেন জানি না, ওয়ালেট থেকে ৫০ টাকাটা বের করে হাতে ধরিয়ে দিলাম। তিনি, শ্রীরাম সান্যাল, নিজের শরীরটা ঝুঁকিয়ে, ডানহাতে টাকাটা বুকের ওপর রেখে অভিবাদন জানালেন। নাটক শেষের পর অভিনেতারা যেমন ঝুঁকে দর্শকদের কাছে ঋণস্বীকার করেন, তেমনই।

–মে গড শাওয়ার ইউ উইথ মিলিয়নস অ্যান্ড মিলিয়নস অফ মানি।

 

শ্রীরাম সান্যাল দ্রুত হেঁটে মিলিয়ে যাচ্ছেন। মিলিয়নস অ্যান্ড মিলিয়নস অফ মানি! আমার! দরজায় কড়া নাড়বে না তাহলে ভবিষ্যতের দারিদ্র? আমাকে আর গোপাল সাহা হওয়া হবে না। আমার তবে, আজ বাড়ি, কাল গাড়ি, পরশু জমি, তরশু বিদেশভ্রমণ?

 

শ্রীরাম সান্যাল মিলিয়ে গিয়েছেন যখন মনে পড়ল বান্ধবীর কথা। ইনভেস্টমেন্ট। এই যে শ্রীরামকে দেওয়া টাকা, এ তো ইনভেস্টমেন্ট-ই। নইলে কেন তিনি ওরকম বলবেন যে, ‘মে গড শাওয়ার ইউ উইথ মিলিয়নস অ্যান্ড মিলিয়নস অফ মানি’। সময়ের সঙ্গে ঠিকই ফলে যাবে। ফলবেই। শুধু শ্রীরামকে ঠিক করে কাজ করতে হবে।

 

এইখান থেকেই শুরু হয় সমস্যা! আর সমস্যা থেকে সন্দেহ। একদিন তবে, চিরঞ্জীবী নাট্যদলের রিহার্সালে গিয়ে ওঁকে পাকড়াও করতে হবে! নইলে সব যাবে জলে! একবার মাত্র পঞ্চাশ টাকা দিয়ে মিলিয়নস অ্যান্ড মিলিয়নস। এসআইপি! কিন্তু যদি দেখি সব ফক্কা? ‘চিরঞ্জীবী’ বলে কোনও নাট্যদল নেই? থাকলেও দেবব্রত, লাল্টু– কেউ নেই। বাড়ি হয়তো সোদপুর না, খড়দায়। ছেলের কোনও অসুখ-টসুখ নেই। স্ত্রীও দিব্যি আছেন। হয়তো বাবা-মাও বেঁচে। সাড়ে তিন হাজার মাইনে নয়, বরং ঢের বেশি, ৩০-৪০ মতো, তখন?

 

পাশের গলিতে এসে দাঁড়ালাম। এই চিন্তার একটা এসপার-ওসপার না-করলেই নয়। পাঁচ টাকার কয়েনটা এখনও ডান পকেটে। টস হোক– হেড পড়লে লোকটা ফেরেব্বাজ। টেল পড়লে লোকটা ভালো, গরিব, দু’ইঞ্চি অন্তর অন্তর দারিদ্র।

 

তারপর, সামান্য পাঁচ টাকার কয়েন পাক খেতে খেতে আকাশে উঠল।

 

CATEGORIES
Share This

COMMENTS

Wordpress (0)
demon slauer rule 34 lena the plug leak amateurtrheesome.com cumming in milfs mouth mujer haciendo el amor a un hombre, belle delphine of leaked emma watson in porn xxxamat.com big booty in public hidden cam gay sex, sit on face porn g a y f o r i t forcedpornanal.com please screw my wife female celebrity sex tapes