
কস্তুরী সেন-এর কবিতাগুচ্ছ
যুবতি-বিষয়ে
১
ফিরে আসছ রাত্রিজাগরণ
রাত্রি, এই নবীনে আবার
রাখো তো দুহাত, বাজো শরীর জুড়ে শাঁখ
রাত্রি নতুন লেখা কই?
রাত্রি আরেকবার জ্বলে ওঠো নামে, শঙ্খনামে
— ফের শাঁখ বলেছিস যদি,
উত্থানেসপ্তমে তোকে পিষে মারবই…
২
মেঘে থাকি যত মেঘে থাকি
এই লিখছি ‘প্রিয় বজ্রবান’
এখানে বানানভুল গুরু ও গর্জন
কিংবা যে বোঝার বুঝে নিলে নিক
আমার কর্তব্যফলে জলে ও লেহনে কেন এত বর্ষা
প্রাজ্ঞ অন্ধকার!
এখনও বিদ্যুৎচিহ্ন, এখনও আগুন ঝরা বাকি
৩
ঈর্ষা মোহনের চূড়া তাকে এই ধরেছি মুঠোতে
তাকে এই করেছি স্থাপন এহো এত শ্বেত
এত সর্বশুক্লে তার গতি
কামিনী হত সে যদি প্রায় সত্যি, প্রায় বীণাপাণি!
এমন সর্বাঙ্গ দ’হে পুরুষ আমার যাও তম্বুরাধারক…
ঈর্ষা অপরাজিতা, ভেসে যাও পুষ্পনীল স্রোতে
৪
স্পর্শ সেই প্রথম আঘাত
যেই স্পর্শ লেগে ক্ষত দিশাহারা
হর’ কল্পকাল কার ছত্রে ছত্রে এমনও সুন্দরী লিখে,
কোন্ শৈলে?
তারই মর্মে চিত্র, দীপ, বালার ঝঙ্কার
অমূল্য নিয়তি এই নিয়ত দুজনে ভাগ করে, রাখো ওষ্ঠ
রাখো তো প্রাণের চোখে চোখ
বলো স্পর্শনাম ছুঁয়ে, এই জ্বর কখনও না নিবারণ হোক!

