
সুখেন্দু ভট্টাচার্য -র কবিতা
কবিতার ঘরে-বাইরে
সুখেন্দু ভট্টাচার্য
চিন মিউজিক
মাঝ রাতে কল ছাড়লে শুনতে পাই
কত যে লুকাবে !
ইচ্ছাকৃত কান খাড়া করিনি
অবক্ষয়ে এমনি খাড়া হয়ে যায়
তুমি ভাল নেই বুঝি
কত যে লুকাবে !
পায়ে পায়ে অপলাপ
কী বলব ভেবে পাচ্ছি না
যা বলছেন- শুনছি
গা পাক দিচ্ছে বললে
বলবেন যকৃত-প্রদাহ
লিভার ফাংশেন টেস্ট করাও ।
একফসলি শুকনো জমি
বলছেন সূর্যমুখীর চাষ হয়
রাজা সাজলে বুঝি মিথ্যা বলতে হয় !
জনপ্রিয়তা
অনেকে ঋষি হতে চাইবে
অনেক কে ঋষি সাজানোও হবে
রবীন্দ্রনাথ বা অরবিন্দের ছবি দেখালে
দেশে অনেকেই চিনতে পারবে না
এই পোড়া দেশে
জনপ্রিয়তাও স্থুল শব্দে বর্ণিত হয় ।
করাত
সন্তান ফিরতে দেরী করলে
খিদে চলে যায়
তোমরা কী এ অসম লড়াই করতে পারবে ?
কবি, সমসাময়িক কবি …
প্রাসঙ্গিক – অনেক আগুনে শব্দ ।
দূষণে কলম কী ভাবে লড়াই করে
অনেক কথা জমে আছে
জমছেও অনেক
উনুন ধরানোর দায় ?
স্বীকৃতি
স্বীকৃতি নিয়ে সবাই ভাবে না
তবুও
মুখ বন্ধের জন্য মালার দরকার পড়ে
অপমানিত না হলে আবার কবিতায় আগুনই জ্বলে ওঠে না
গাছও অপমানে মাথা তুলে দাঁড়াই।
নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি
অপমান কবিতা লিখতে শিখিয়েছে ।
ওঠা নামা
দুঃখ মনে রাখে ভাঙনের কবিতা
শান্ত হলে কলমে লিপিবদ্ধ হয়
শান্তি নেমে এলে কবিতারা জন্ম নেয়
শান্তির চাষ বরাবর হলে
কবিতা প্রকাশিত হয় ।
সুখ মনে রাখে ঝরনার কবিতা
সুখের ফাঁকে ফাঁকে কলম ধরা দেয়
সুখ নেমে এলেও কবিতার জন্ম হয়
সুখ বয়ে গেলে কবিতারা ডানা মেলে।

