
কস্তুরী সেন-এর কবিতা
রং
লেখা তো আবিরচিহ্ন
তাকে কেন মানোনি তেমন?
শিমুলপলাশতর্ক
শিমুলপলাশ জ্ঞানে তুমি নাম ডেকে উঠলে গান!
কবে সে প্রমাণ বুঝে পরিত্যাগ
কবে যে প্রমাণ খুঁজে
রংখেলাটিকে ঠিক হাতেনাতে ধরা
মারাত্মক দোলমঞ্চ, আর মুগ্ধ জিহ্বাসূত্রে
পরস্পরে অবিশ্বাস্য নেমে যাওয়া ভাষা
শালবনে অন্ধকার
একদিন রাত্রি বাকি ছিল,
একদিন অনিবার্য এই ফিরে আসা
শরণ
তেমন ফোটে না ফুল
সম্মতিপ্রস্তাব এসে শান্ত করে দিয়ে গেছে,
সামান্য বাতাস শুধু বয়ে যায়
চিরদিন বয়ে যাবে বলে
এখন অলীক স্রোত এ ওর মুখের পানে
চুম্বন ব’লে ডেকে আজীবন সর্পাঘাত
জিহ্বায় এখন
জননীপ্রহারচিহ্ন ঘোচেনি যদিও
তবু বালকের মতো যেন মাতৃকৃপালোভে টলমল
তেমন ফোটেনি ফুল এখনও অতুল
এখন ভোরের চোখে জল

