
শাম্ব-র কবিতা
কালপুরুষ
বেড়াতে বেরলেই পিঁপড়ে জেগে ওঠে।
পিঁপড়ে জাগা মানে কালপুরুষ
কিছুটা মলহার, পেরিয়ে যেতে যেতে
কিছুটা সংহার, হরিদ্রা…
গ্রামের পথগুলো এমনই, ইশারায়…
পক্ষপাত খোঁজে দিকবিদিক…
মনস্তাত্ত্বিক ঢ্যামন সাপ যেন,
যেন বা ফুটপাত, কলকাতার!
আগেও এসেছিলে বাংলা কবিতায়?
আত্মহত্যা? বালির পথ ?
পিঁপড়ে জাগলেই তোমাকে মনে পড়ে
মিঞা-কি-মলহার, সন্যাসী!
তোমাকে মনে পড়ে না খাওয়া দুপুরে
যে দেশে পিঁপড়েরা কালপুরুষ
আমার মনে হয়, কেবলই মনে হয়
তোমাকে ভালোবাসি, এ বর্ষায়।
বক
লেখার অনেক নীচে জল
আত্মপ্রকাশের ভিড়ে
দুপুরের লবলাক্ত মাছ
ধ্রুপদী খেয়ালে ছেঁড়াখোড়া;
যেভাবে অন্ধকারে
চাবুক চালানো— ঈশ্বর,
স্মৃতিভ্রষ্ট সার্কাসের বাঘ
ক্ষণিক সাঁতরে আসে
মায়ের ঊরুর কাছে
নাট্যবোধে খুঁজে পেলে
তোমাকে, চণ্ডাল!
ভিতরের মাংস-মাঝে ঝাঁপ দিয়ে
উথাল-পাথাল করে তোলে
লেখার অনেক নীচে জল,
মারতে মারতে তুলে নেয়
হিমসাদা পিঠে এই রাবেন্দ্রিক ছাল
কবিজন্ম ডোরাকাটা,
এক পায়ে দাঁড়িয়েছি
মনিকর্ণিকায়!

