
সুদেষ্ণা মৈত্র-র কবিতা
চাঁদগান
ভাদ্রে পুষ্প অনর্থক
মৃতজন্মে আশকারা বাড়ে
শেখানো আশ্বিনে নেমে পদ্ম টেনে এনো।
যে কথনে সাপ ঘোরে, মন্ত্রবাষ্পে নীলরঙা গাছ
সেসবই দেবীর গৃহে তালিকাবদ্ধ ফলাফল
তুমি তো দূরের শিশু, রোদ ছেপে পাঠিয়েছো প্রেম
বৃষ্টি স্বভাবদোষে বিদেশী আখ্যা পায় রোজ
শারদীয়া লিখতেই শরীরকে
সেরে উঠতে দিও
একবার খোঁড়া ঋতু, বলুক,
যন্ত্রণা নেই কোনো
অগ্রহায়ণ আর ভাদ্রের অনীহার মেয়ে
আশ্বিনে শিউলি হোক।
শিউরে উঠুক চাঁদ পেয়ে।
রেশ
পার্থিব কন্যা ভাঙতে ভাঙতে শেষে
পাথর হয়ে উঠছে সরল
কিছু যন্ত্রণার দায় এমন যেন
ছেড়ে যাওয়ার পরেও শব্দ থেকে যায়।
ঠন্ ঠন্ ঠন্ ঠন্।
হাত নেই। পা নেই।
শুধু আদলটুকু বসে আছে স্থির।
বাঁকানো গ্রীবায়-
ফুলের মালা পরার গন্ধ লেগে আছে।

