
রিদ্ধি পান-এর কবিতা
আকাশে বসন্ত নেমেছে
ঘুমের বারুদ থেকে ঝরেছে রঙিন প্রস্তাব
হাতের থেকে রোম, নখ, পিঠের গন্ধ
খুঁজে খুঁজে প্রিয় শরীরের চেয়ে মস্তিষ্ক ভালো আজ।
গোপনীয়তার অশৌচ খুঁটে খুঁটে আজ ক্লান্ত
কাকে কাকে ভয় করলে চেয়ারের পায়ার চেটো নষ্ট হয়ে যাবে ফুলস্কেপ কাগজে
কোনো প্রেমিককে আজও বলিনি হাত ধরো।
কেউ আমার ঊর্ধ্বতন নয়
কেউ আমাকে বলেনি প্রতিদিন গোলাপ এনে দেবে
এক্ষেত্রে নক্ষত্রখচিত রাতে বাদ বাদ বাদ দেবার খেলায় বেশ উষ্ণ হয়ে আছি
অহংকারী উল্লাসময় চোখে যারা আমাকে দীক্ষা দিলেন তাদেরকে একা করে দিতে দিতে
একটা জনবসতি গড়েছি যেখানে শুধু হুল্লোড় আর তামাসার বসন্ত উৎসব।
রাষ্ট্রের চেয়ার টলে যাচ্ছে, মূক বধির হয়ে বকা খাচ্ছি কারণ রাস্তায় বসে বসে হুল্লোড় করে মিটিং মিছিলে যাই
আমাদের চেতনায় কোনো জাগরণ নেই আর ছিলও না কোনোকালে।
এর মানে হাত ছাড়াছাড়ি পায়ে দলাদলি এমন ভাবার দরকারই নেই শুধু প্রেমটুকু প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। মস্তিষ্ক বরাবর প্রিয়।
ফাল্গুনী
আমাকে যে রোদ্দুরে দেয়
তাকে নিয়ে অন্ত সুরে
মাটির কাছাকাছি
আজ মাটিতে ভয় ভুলি
পাগল প্রেমিক
শুকনো ফাগুন তুলছে হেসে
বসন্তকে
সে কি আমার পড়শি ছিল
যখন বেয়াকুলে
সে কি আমার আকাশ দেখা
গন্ধ হাওয়া চুলে
এসেছে গেছে এসেছে
বসন্তকে সরিয়ে দিতে
দাঁড়িয়ে আছে দূরে।

