
শ্রমণ / শ্যামশ্রী রায় কর্মকার
পাখির ডিমের মতো সযত্নে লুকিয়ে রাখা
প্রজ্ঞাবতী দিকচিহ্নগুলি
অতুল মিথ্যার রোদে দগ্ধ এই বেদনার দিনে
রক্ষা করে কে যক্ষের মতো?
সময় ছলাৎছল যেতে যেতে তাঁর কথা বলে
পাতার হলুদ গল্পে, আগুনের জিভে জিভে,
ঈগল-উড়ানবৃত্তে তাঁরই পদচিহ্ন
বহু নিষেধ সত্ত্বেও
রীতির বিরুদ্ধে যাই, প্রশ্ন করি, কেন তিনি
জ্যোতিষ্মান তর্জনী বুলিয়ে
মাটির কপালে লিখে গেছিলেন ভবিতব্য –
কবিতা ক্রমশ ছোট হতে হতে একদিন…
ভাষার শরীর বিদ্ধ হতে হতে একদিন…
এই ভিক্ষাপাত্র, অপটু আঙুলে গড়ে
অন্তরনগরপথে শব্দকণা খুঁটে খুঁটে চলি
বাড়ন্ত শব্দের দিনে শ্রমণের প্রয়োজন আছে
নৈরঞ্জনার তীরে উচ্চ কিছু স্তূপ নির্মাণের
তুমিও জলের কাছে গচ্ছিত রেখেছ গুপ্ত দাহ?
সরলবর্গীয় অক্ষরের বীজ দিয়ে ঘিরে রেখো তাকে

