
মন্টো, এক অশ্লীলতার কারিগর
রিনি গঙ্গোপাধ্যায়
"মন্টো যে দুনিয়ায় বাস করতেন সেই উদ্বাস্তুসমস্যাদীর্ণ দেশবিভাজনের দিনগুলো মন্টোর সামনে এমনই এক সমাজ মানসকে তুলে ধরেছিল। সেই হিংস্রতার দুনিয়ায় দাঁড়িয়েও যে মন্টো নারীদের, বিশেষত সমাজ পরিত্যক্ত বেশ্যা নারীদের যন্ত্রণাকে আর সমাজের মূলস্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন নারী মাংসের ব্যবসায়ী পুরুষদের জীবনযাপনের দলিল তুলে ধরতে পেরেছিলেন তা আসলে অনির্বচনীয়তার হকদার। এই আপাত কাঠিন্যের আড়ালে মন্টোর সহানুভূতিপ্রবণ মনটিকে সেই সময় আবিষ্কার করা না গেলেও আজ মন্টোর জন্মের শতবর্ষ অতিক্রম করে সেই মনটির বেদনাকে পড়ে নিতে আমাদের অসুবিধে হয় না। অশ্লীলতা বিষয়টি ভারতীয় সাহিত্য সমালোচনা জগতের নিজস্ব নির্মাণ নয়। এটি একটি ঔপনিবেশিক হ্যাং ওভার।"
‘যাঁরা ভাবেন আধুনিক লেখকরা সাহিত্যে যৌনসমস্যার সৃষ্টি করছে, তাঁরা ভুল করছেন, আসলে যৌনসমস্যাই আধুনিক সাহিত্যের জন্ম দিয়েছে। এই আধুনিক সাহিত্যে যখন আপনারা নিজের প্রতিচ্ছবি দেখতে পান, তখন আঁতকে ওঠেন। সত্যকে যতই চিনি মিশিয়ে খান না কেন, ওর তিক্ততা দূর হবে না।’ গল্পলেখক ও অশ্লীলতা প্রবন্ধে কথাগুলি লিখছেন সদত হসন মন্টো, যিনি ভারত ও পাকিস্তানের তথা এই উপমহাদেশের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ গল্পলেখক। অথচ যাঁকে মাত্র তেতাল্লিশ বছরের জীবনে দশ বছর কাটিয়ে দিতে হয়েছিল মামলায় মামলায় জর্জরিত হয়ে আদালতে হাজিরা দিতে দিতে! শারীরিক ক্লান্তি, আর্থিক ক্ষতি, মানসিক নির্যাতন গ্রাস করেছিল মন্টোকে। তবু নিজের আদর্শ থেকে সরে আসেননি! সে আদর্শ মানবিকতার আদর্শ! মানুষের অন্তরের ঘৃণাকে বের করে এনে, তাকে চাক্ষুষ করিয়ে, ধাক্কা দিয়ে মনের শুশ্রূষা ঘটানো। যে সমাজ নিজেই ন্যাংটো তাকে আর উলঙ্গ করে দেখাবেন কিভাবে – এই ছিল মন্টোসাবের বক্তব্য! তবে সেই সমাজের নগ্নতাকে ঢাকার চেষ্টাও কখনো করেননি মন্টো। কারণ সেটা লেখকের কাজ নয়।
মোট ছ’বার সদত হসন মন্টোর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। অবিভক্ত ভারতে তিনবার আর পাকিস্তানে তিনবার। ছ’বারই অভিযোগ ছিল অশ্লীলতা! এই ছ’টি গল্প হলো কালি সালোয়ার, ধোঁয়া, বু, খোল দো, ঠাণ্ডা গোস্ত ও উপর নিচে অউর দরমিয়ান। মন্টোর প্রথম গল্প তামাশা। এই গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল বারি আলিগ সম্পাদিত খলক পত্রিকায়। জালিয়ানাওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ড নিয়ে এই গল্পটি লিখিত। ১৯১৯ যখন এই হত্যাকাণ্ড ঘটে তখন মন্টো সাত বছরের বালক। সেই অপূর্ণ ও ভয়ার্ত দৃষ্টি দিয়েই এই ঘটনার কথা লিখিত হয়েছিল তামাশা গল্পে। যদিও গল্পটি স্বনামে ছাপেননি মন্টো। তাঁর ভয় ছিল তিনি এই গল্প লেখার জন্য গ্রেপ্তার হতে পারেন। এই সূত্রেই মন্টোর মনে হয়েছিল তিনি একজন ‘প্রথম শ্রেণির প্রতারক’। কিন্তু পরবর্তী গল্পগুলির ক্ষেত্রে মন্টো কথিত এই প্রতারণার আশ্রয় নিতে হয়নি তাঁকে। কারণ দেশভাগ ও তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী ঘটনাগুলো মন্টোকে যে নিষ্ঠুর ও নির্মম সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল সেখান থেকে নিজের অস্তিত্বকে আর গোপন রাখতে চাননি মন্টো! ‘প্রথম শ্রেণির প্রতারক’ কথাটিকে আজ ফিরে দেখলে একটি তীব্র ব্যঙ্গ ছাড়া আর কিছুই ভাবা যায় না। মন্টোই সেই লেখক যিনি অনাবশ্যক ইতিবাচকতাকে দেখাতে গিয়ে কখনো বাস্তবকে অস্বীকার করেননি! অকল্পনীয় উত্তরণ বা স্বপ্নপূরণের মেকি দুনিয়া থেকে উপমহাদেশের গল্পকে মুক্তি দিয়েছেন। কারণ মন্টোর মতে, ‘লেখকের অনুভূতি যখন আহত হয়, তখনই সে কলম তুলে নেয়।’ রবিশংকর বল তাই মন্টোকে চিহ্নিত করেন ‘এক ক্ষত’ হিসেবে। মন্টোর মতে, ‘আজকের লেখক তৃপ্তিহীন মানুষ। তাঁর পরিবেশ, ব্যবস্থা, সমাজ, এমনকী নিজের সত্তা নিয়েও তাঁর পরিতৃপ্তি নেই।’ মন্টো দেখেন, দেশভাগের ক্ষত ক্ষুধার্ত নারীকে করে তুলল বেশ্যা। আর সমস্ত পুরুষদের অন্তরের জৈবিক প্রবৃত্তি তাদের পরিণত করল হিংস্র ধর্ষকে। তাই মন্টোর গল্পে ক্ষুধার্ত বেশ্যাদের এতো আনাগোনা। যে মেয়েটি সারারাত শরীর বেচে আর দিনে তারই বয়স্ক রূপের কড়া নাড়ার দুঃস্বপ্ন দেখে জেগে ওঠে সেই রেন্ডিই মন্টোর গল্পের কেন্দ্রিয় চরিত্র। তাই বেশ্যাদের নিয়ে কথা বলা বন্ধ করতে হলে এই পেশাটাই সমাজে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত ! তা যখন সম্ভব নয়, তখন সমাজের এই গভীর ক্ষত নিয়ে কথা হবেই। কালি সালোয়ার গল্পে দেখানো হয়েছে দুই সমাজ পরিত্যক্ত নারীর আকাঙ্ক্ষা ও প্রাপ্তির বিষবৃত্তান্তকে। এই গল্প রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিভাজনে বলিপ্রদত্ত ভারত ও পাকিস্তানের মানুষের স্বাধীনতার স্বপ্ন ও বাস্তবের সমূহ তফাৎকে রূপকের আকারে দেখিয়েছে। ধোঁয়া গল্পে এক বালকের যৌনতার উপলব্ধি ও সেই সূত্রে সমকামী এক নিষিদ্ধ দুনিয়ার উন্মোচন মাসুদ নামক বালকটিকে সময়ের আগেই যেন প্রাপ্তবয়স্ক করে তোলে। বু বা গন্ধ গল্পে বহুগামী রণধীর এক বর্ষাভেজা কালো রমণীর সঙ্গে মিলনের সময় তার শরীরের ঘ্রাণে যে মাদকতায় বিভোর হয়ে যায়, তার স্ত্রীর সঙ্গে সহবাসের সময় সেই বৃষ্টিভেজা মাটির সোঁদা সোঁদা নেশাজড়ানো গন্ধের অভাববোধ করে। এই তিনটি গল্প নিয়ে অখণ্ড ভারতে বার তিনেক আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছিল মন্টোকে। বু গল্পটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই লাহোর থেকে প্রকাশিত প্রভাত -এ লেখা হয়েছিল এই ধরনের গল্প কমবয়সী ছেলেমেয়েদের মন নোংরা করে দেয় এবং জনরুচিকে দূষিত করে। প্রভাত পত্রিকার সম্পাদক মন্টোকে তিনবছরের জন্য জেলবন্দি করার দাবি তোলেন। আবার ১৯৪৫ এর ফেব্রুয়ারি মাসে বম্বে থেকে প্রকাশিত কওমি জঙ্গ এর একটি নিবন্ধে আলি সর্দার জাফরি বু গল্পের প্রশংসা করেন । কিন্তু কয়েক সপ্তাহ পরেই এই গল্পকে দুর্গন্ধে ভরা ও তার লেখককে প্রতিক্রিয়াশীল বলে আক্রমণ করেন।
এরপর দেশবিভাজন এবং ১৯৪৮ এ মন্টোর পাকিস্তান যাত্রা। পাকিস্তানে প্রথম তিনমাস এক অদ্ভুত অস্থিরতায় কেটেছিল মন্টোর। কিন্তু এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে লেখালেখি শুরু করেন মন্টো। ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ সম্পাদিত দৈনিক ইমরোজ পত্রিকায় কলাম লিখতে শুরু করেন মন্টো। তবে পাকিস্তানে তাঁকে গল্প লিখতে অনুরোধ করেন প্রথম বন্ধু আহমেদ নাদিম কাসিমি। কাসিমি এই সময় নকুশ নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনার কাজ শুরু করেছিলেন। মন্টো সেই পত্রিকার জন্য পাকিস্তানে যে গল্পটি প্রথম লিখলেন তা হলো ঠাণ্ডা গোস্ত; যার ইংরেজি অনুবাদ করা হয়েছিল কোল্ডার দ্যান আইস। এই হাড়হিম করা গল্পটি ছাপানোর সাহস দেখাতে পারেননি কাসিমি। তাঁর মতে, ‘গল্পটি নকুশের জন্য অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে যাবে।’ মন্টো পরেরদিন তাঁর হাতে দেন খোলা দো। এই গল্পটা পড়তে পড়তেও কাসিমি ধাক্কা খেয়েছিলেন; কিন্তু এই গল্প নকুশের তৃতীয় সংখ্যায় ছাপা হয়। যার ফলস্বরূপ সরকারের তরফে নকুশ প্রকাশে ছ’মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। অভিযোগ গল্পটি ‘জনশান্তিবিরুদ্ধ’। ইতিমধ্যে অদব – ই – লতিফ পত্রিকায় ঠাণ্ডা গোস্ত মনোনীত হয়ে প্রুফ সংশোধন করিয়েও সম্পাদক পিছিয়ে যান। ঠাণ্ডা গোস্ত ছাপতে চাননি। শেষপর্যন্ত আরীফ আবদুল মতিন সম্পাদিত জাভেদ পত্রিকায় মার্চ, ১৯৪৯ সংখ্যায় ছাপা হয় ঠাণ্ডা গোস্ত। গল্পটি পাকিস্তান সরকারের মুদ্রণ উপদেষ্টা বোর্ডের নজরে আসে। পুলিশ আকস্মিকভাবে জাভেদ পত্রিকার অফিসে রেইড চালিয়ে আলোচিত সংখ্যাটির সমস্ত কপি বাজেয়াপ্ত করে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয় নাসির আনোয়ার, আরিফ আবদুল মতিন এবং মন্টোর নামে। আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে পাকিস্তান সরকারের মুদ্রণ উপদেষ্টা বোর্ডের সভাপতি এবং পাকিস্তান টাইমসের সম্পাদক ফয়েজ আহমেদ ফয়েজের মতো কবি গল্পটিকে অশ্লীল না বললেও গল্পটি যে সামগ্রিকভাবে কোনো সাহিত্যিক উত্তরণে পৌঁছোতে পারেনি, জীবনের সমস্যাজীর্ণতার কোনো সুনির্দিষ্ট সমাধান দেখাতে পারেনি সেকথা বলেন। তবে জমিনদার পত্রিকার সম্পাদক মৌলানা আখতার আলি খান, চৌধুরী মহম্মদ হুসেন, স্বয়ং জাভেদ পত্রিকার সম্পাদক নাসির আনোয়ারও গল্পটিকে সরাসরি অশ্লীল বলেন। ১৬ জানুয়ারি ১৯৫০ ম্যাজিস্ট্রেট মিঁয়া এ এম সইদ এই মামলার রায় ঘোষণা করে বলেন, ‘গল্পটি দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিপন্থী।’ ফলে মন্টোকে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ২৯২ ধারা অনুযায়ী তিনশো টাকার জরিমানা ও তিন মাস সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। শেষে দীর্ঘ টালবাহানার পর জামিন মঞ্জুর হয়। মন্টোর পক্ষে প্রথমপর্বে কোনো উকিল না থাকলেও পরে এগিয়ে এসেছিলেন তরুণ উকিল শেখ খুরশিদ। এরপর ১৯৫০ এর ২৮ জানুয়ারি সেশন কোর্টে বিচারক এনায়াতুল্লাহ্ খান মন্টোকে বেকসুর খালাস করেন এবং জরিমানার টাকা ফেরৎ দেওয়ার আদেশ দেন।
ঠাণ্ডা গোস্ত গল্পের ঈশ্বর সিঁয়া চরিত্রটি নিজের ভুল বুঝতে পেরেছিল বলেই সে তার স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গমের সময় তার লুঠ করে আনা মৃত মেয়েটির মতো ঠাণ্ডা হয়ে গেছিল। এই গল্পটি যদি উত্তরণের গল্প না হয় তবে পৃথিবীর কোনো গল্পকেই উচ্চ আদর্শের গল্প বলা যাবে না। খোল দো গল্পে মৃতপ্রায় সাকিনার পাজামার দড়ি খুলতে চাওয়ার মধ্যে তার শারীরিক ভাবে জীবিত থাকার যে প্রত্যক্ষ প্রমাণ পেয়ে সাকিনার পিতা উল্লসিত হয়ে ওঠে তার মধ্যে যদি শত ভয়ংকরতার পরেও জীবনানুরাগের ছবি খুঁজে না পাওয়া যায় তবে আর কোথাওই তা পাওয়া যাবে না। যদিও সাহিত্যের দায় নয় জীবনানুরাগ দেখানো! সাহিত্যের দায় নয় ইতিবাচকতা দেখানো। সাহিত্য জীবন থেকে উঠে আসে। তাঁর সঙ্গে যুক্ত হয় সাহিত্যিকের জীবনবোধ। মন্টো যে দুনিয়ায় বাস করতেন সেই উদ্বাস্তুসমস্যাদীর্ণ দেশবিভাজনের দিনগুলো মন্টোর সামনে এমনই এক সমাজ মানসকে তুলে ধরেছিল। সেই হিংস্রতার দুনিয়ায় দাঁড়িয়েও যে মন্টো নারীদের, বিশেষত সমাজ পরিত্যক্ত বেশ্যা নারীদের যন্ত্রণাকে আর সমাজের মূলস্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন নারী মাংসের ব্যবসায়ী পুরুষদের জীবনযাপনের দলিল তুলে ধরতে পেরেছিলেন তা আসলে অনির্বচনীয়তার হকদার। এই আপাত কাঠিন্যের আড়ালে মন্টোর সহানুভূতিপ্রবণ মনটিকে সেই সময় আবিষ্কার করা না গেলেও আজ মন্টোর জন্মের শতবর্ষ অতিক্রম করে সেই মনটির বেদনাকে পড়ে নিতে আমাদের অসুবিধে হয় না। অশ্লীলতা বিষয়টি ভারতীয় সাহিত্য সমালোচনা জগতের নিজস্ব নির্মাণ নয়। এটি একটি ঔপনিবেশিক হ্যাং ওভার। ভিক্টোরিও রক্ষণশীল রুচিশীলতা এর পেছনে সক্রিয় ছিল। উনিশ শতকে মধ্যুযুগের সাহিত্যকে এই রক্ষণশীলতার কষ্টিপাথরে যাচাই করতে গিয়ে ভারতীয় সমালোচকেরা যে ভুল করেছিলেন, বিশ শতকের তৃতীয় দশক থেকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমকালীন যে আধুনিক লেখালেখি শুরু হলো তার সমালোচনার সময়ও সেই একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করে বসলেন তাঁরা। শুধু এটুকুই বলার যে এই উপমহাদেশের সাহিত্যকে রক্ষণশীল মানসিকতা নিয়ে বিচার করতে গেলে তা একটি খণ্ডিত দর্শন হবে।
মন্টো তাঁর জীবনে আড়াইশো মতো গল্প লিখেছেন। উপন্যাস একটি। গল্পের রূপবন্ধকে বেছে নেওয়ার পেছনেও মনে হয় তাঁর দেখা টুকরো টুকরো জীবনের প্রতিচ্ছবিকে তুলে ধরারই একটি প্রয়াস আছে। সদত হসন মন্টো নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন তাঁরা জানেন মন্টোর সমাধিতে উৎকীর্ণ না হওয়া সেই বিখ্যাত উক্তিটির কথা। যেখানে গল্পলেখক মন্টোর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী স্বয়ং খোদাতাল্লা! ঈশ্বরের পৃথিবীতে পঙ্কিল জীবনচর্যায় একটিমাত্র ফুল ফুটিয়েছিলেন মন্টো। আর তা হলো মানবিকতার ফুল।
ঋণস্বীকার – সদত হসন মন্টো রচনাসংগ্রহ, ভূমিকা ও সম্পাদনা – রবিশংকর বল ।
সাদাত হাসান মান্টো সংখ্যা, দিবারাত্রির কাব্য, জানুয়ারি – মার্চ ও এপ্রিল – জুন ২০১৩।

