শূন্যতার গর্ভ কাঁপে মন্ত্রে
:: রঘু জাগুলীয়া

“কায়েন মনসা বুদ্ধ্যা কেবলৈরিন্দ্রিয়ৈরপি
যোগিনঃ কর্ম কুর্বন্তি সঙ্গং ত্যক্ত্বাত্মশুদ্ধয়ে ।।”
( কর্মসন্ন্যাসযোগ/ গীতা)

কর্মযোগী আসক্তি ত্যাগ করে শুধুমাত্র( মমতারহিত) ইন্দ্রিয়-শরীর-মন-বুদ্ধি সহযোগে অন্তঃকরণের শুদ্ধির জন্যই কর্ম করেন।

[ আজ পুনঃ শেষ হোক অথ কথা শ্রীমহাভারত
পুনরায় উড়ে যাক দিগবিদিক জ্ঞানশূন্য বায়ু
বায়ুস্তরে ফাটল ঐ ফাটলের ছিদ্রে এক নামগোত্রহীন
ফুটিয়া রয়েছে বিষসাপ
শিরা টান, টান-টান উপশিরা, টান-টান স্নায়ু
স্নায়ুর ভিতরে তবু দুর্বলতা ছাড়া আর অন্য কোনো কুরুক্ষেত্র নেই

মৃত স্নায়ু, মৃত কোষগুলি আজ ঢেউ ভাঙে দ্বৈপায়ন জলে
একা কৃষ্ণদ্বৈপায়ন লিখে যান শ্রীমহাভারত…]
( আলোর ভিতর এক অমিতাভ পদার্থ-জীবন/ পৃ: ১৫)

এই সিরিজের প্রত্যেকটি কবিতায় কবি কৌশিক বাজারী একটি আশ্চর্য বিভূতিমন্ডিত পথে চলেছেন,
যে পথ মেধার অধিক বিকশিত হয়ে আছে। অথচ অন্তর ছাড়া শুধু নশ্বরতা দিয়ে তাকে দেখা যায় না। তিনি যেন বহ্মান্ডের প্রতিটি পাতার খোঁজে, এমনকি ‘বনলতা সেনের’ চুলের ভিতর যে প্রাচীনতা বা মিরুজিন নদীর বিকেলে সাধনালিপ্ত হতে চান । “আদি ও অন্ধ বয়ে যাচ্ছে সাপের মতন” বা “তুমি আসবে বলে ঐখানে পেতে রেখেছি ধুলোর আসন/ ঐখানে রাখা আছে পারিজাত রেণুমাখা জলের কলস” —এই যে সমস্ত চিত্রকল্প তা অ্যবঅরিজিনাল আবহে রাখা। ভাষার Juxtaposition এর জন্ম হয়ে বারবার কবিতার স্বন্ত্রতাকে প্রকাশ করে এবং সত্যকে সুন্দর থেকে আলাদা করে না একটুও।

শ্রীরামকৃষ্ণ—জ্ঞানীরা নিরাকার চিন্তা করে। তারা অবতার মানে না। অর্জুন শ্রীকৃষ্ণকে স্তব করেছেন, তুমি পূর্ণ ব্রহ্ম; কৃষ্ণ অর্জুনকে বল্লেন, আমি পূর্ণ ব্রহ্ম কি না দেখবে এস। এই বলে একটা জায়গায় নিয়ে গিয়ে বল্লেন, তুমি কি দেখছো? অর্জুন বল্লে, আমি এক বৃহৎ গাছ দেখছি,—তাতে থোলো থোলো কালো জামের মত ফল ফলে রয়েছে। কৃষ্ণ বল্লেন, আরো কাছে এসে দেখ দেখি ও থোলো থোলো কালো ফল নয়,—থোলো থোলো কৃষ্ণ অসংখ্য ফলে রয়েছে—আমার মত। অর্থাৎ সেই পূর্ণব্রহ্ম বৃক্ষ থেকে অসংখ্য অবতার হচ্ছে যাচ্ছে।( আমি সাকারবাদীর কাছে সাকার আবার নিরাকারবাদীর কাছে নিরাকার)
— শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত(শ্রীম কথিত)

[ জগৎ চলেছে, চন্দ্রমাও। বুধ, শুক্র, মঙ্গল,বারোখন্ড ভাঙা-চাঁদ
গুরু বৃহস্পতি, চলেছে পাতাল-গঙ্গা, আসমানে দোজখ জন্নত।
সর্বস্ব জলাঞ্জলি দিয়ে সৌরঠাকুর সেও চলেছে অনির্দেশ।
নাকি কোনো স্থির নির্দেশ ছিল ভ্রমণের আদিকল্প প্রাতে ?
স্বাতী ও অরুন্ধতী আরও দূর আঁচলের প্রান্তটুকু ছড়িয়েছে
জানালার ধারে। আলোকবর্ষ থেকে ছুটে আসা ইলাবৃতবর্ষ জুড়ে
অচেনা আলোর প্রীতিকণা ছুঁয়ে যাচ্ছে মঙ্গল কল্যাণ।
ছুঁয়ে যাচ্ছে গ্রামছাড়া রাঙামাটির ধুলোঢাকা পথ, আর
পথপার্শ্বে দ্বন্দ্বজীর্ণগ্রাম, শরীর ছড়িয়ে রাখা ধূসর সাপের
দীর্ঘশ্বাস। অল্প নিচে, ধীরে বয়ে যাওয়া কৃষিজল
আমার সন্তানের ঘুমন্ত কপালের কপালের চন্দ্রলেখা, ভবিষ্য-জীবন,
পূর্ব-পশ্চিম-উত্তরজন্ম ছুঁয়ে যাচ্ছে, ছুঁয়ে যাচ্ছে প্রীতিকণা
অনির্দেশ আধারের দিকে, চলেছে জগৎ, মেঘে মেঘে চন্দ্রমাও…

সূর্যবাহন, তার ঝকঝকে বর্ষাখানি ফুঁড়ে যাচ্ছে উত্তর-দক্ষিণ মেরুদ্বয় ]

( জগৎ চলেছে, মেঘে মেঘে চন্দ্রমাও/ পৃঃ ১২)

পুরাণে পৃথিবীতে সাতটি দ্বীপ ছিল, যেগুলো কে মহাদেশ বলে। তারমধ্যে জম্বুদ্বীপ—এর অন্তর্গত ভারতবর্ষ ছিল যা অন্যনামে ইলাবৃতবর্ষ। বশিষ্টের স্ত্রী
‘অরুন্ধতী’ এবং সপ্তর্ষীমন্ডলের নীচে ‘স্বাতী’— এই দুটি তারা স্ত্রী লিঙ্গের প্রতীক। এবার কবিতার ভিতর যে Allusion ও Onomatopoeia আছে তা দেখলেই কবিতাটি কি বলতে চায় বোঝা যায়। এই কবিতাটি পড়তে পড়তে কবি বিনয় মজুমদারের একটি অসামান্য লাইন মনে এসে ঠেকে। ” আর যদি না-ই আসো, ফুটন্ত জলের নভোচারী/ বাষ্পের সহিত যদি বাতাসের মতো না-ই মেশো, সেও এক অভিজ্ঞতা ” (ফিরে এসো চাকা)।

[প্রসূতির কান্না আর রুদ্ধশ্বাসে সহর্ষ হয়ে আছে ঘর।
এয়োস্ত্রীরা হুলু দেয়, শঙ্খ বাজায়, পিলসুজে প্রদীপ আর
গর্ভদ্বারে ধাত্রী শুধু নিরত নির্জনে। হে মধুর—
ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে দেখে নাও, গর্ভগৃহ-মাঝ—
জলোচ্ছ্বাস, অন্ধকার, বিদ্যুৎ ঝলকে শেষবার
ছিন্নসূত্র ভবিতব্যখানি…]

( নাচে জন্ম নাচে মৃত্যু, পৃ: ৪২)

ফ্রেডরিশ নীৎসের ” দি স্পিরিট অফ মিউজিক” যেটি “দি বার্থ অফ ট্রাজেডি” প্রকল্পের অংশ—” If someone were to transform Bethoven’ Ode to joy into a painting and not restrain his imagination where millions of people dramatically into the dust, then we could come to the Dionysian. Now is the slave a free man, now all the stiff, hostile
barriers break apart, those things which nessecity and arbitary power or “saucy fashion” have established between men.
Now with the gospel of world harmony, every man feels himself not only united with his neighbour, reconciled and fused together but also as if the veil of Maja has been ripped apart, with only scraps fluttering around the mysterious original unity. Singing and dancing, man express himself as a member of higher unity.”

জেন ফিল্ম “The colour of pomegrantes” বা কন্নড় ফিল্ম “Thithi” বা হিন্দি ফিল্ম “মীরা” এই ধরনের কবিতার ভাব ও আঙ্গিককে স্পষ্ট করে। যেন সহস্র শতাব্দী পেরিয়ে মহাকালের কাছে
ঐশ্বর্যময় পুঁথি পড়ে আছে। সে পুঁথির ভিতর একা একাই চলছে এসব লেখা এক ‘অদ্ভুত অলীক অবয়বে’। এবং আমি যেন আমার গ্রামের পুরাতন হরিমন্দিরে গিয়ে পদাবলী কীর্তন আসরে দাদু-দিদিমার কোলে বসে শুনছি হৃদয়ে মাধুরী মেশানো বংশীখন্ডের গান। অথবা গাঙভেড়ির উপর হেঁটে চলার সময় যেমন জল ছপাক-ছপাক করে গাছগুলিকে কাঁদু-কাঁদু করে দেয় তারপর মনভোলানো বাতাস আসে। অথবা বিদ্যাধরী নদীর উপর সূর্যদেব এসে রাঙিয়ে দেয় তার সিঁথি বা বাতাস এসে শিশুর গালের মতো চুমু খায় নোনামাঠের গায়ে লেগে থাকা ধুলোমাখা ঘাসের মুখে। শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ যেমন বললেন (গিরিশের প্রতি)—” নিষ্ঠার পর ভক্তি। ভক্তি পাকলে ভাব হয়। ভাব ঘনীভূত হলে মহাভাব হয়। সর্বশেষে প্রেম।”

[ ওহে পিনাকী, তোমার ত্রিশূল উচ্চে তুলে ধরো
তাক করো অন্ধের প্রতি, অন্ধ মানে : শোকাতুরা
তার চোখের মণিতে মায়া-ছাই

ঘন্টি বাজে, পথ ছাড়ো, অন্ধকার সরিয়া দাঁড়াও
যাও, পিনাকীকে খোঁজো। কোথায় কোথায় সে ?
হোমকুন্ডে ঐ তার বাঘছাল জ্বলছে দাউদাউ
তার ভারি পাথরের লিঙ্গ উঁচু হয়ে দাঁড়িয়েছে
নিশ্চল
কুন্ড থেকে ডমরু ভেসে যায়… ]

( প্রহর/ উৎসর্গ : অন্নপূর্ণা ও শুভকাল-এর কবিকে, পৃ: ৪৬)

অথবা কবি প্রণবেন্দুর কথায় ‘Cultivated sponteneity’ এবং কবি কৌশিক বাজারীর কবিতায় নিজস্ব যে ভাষামাধুর্য তা আমাকে আচ্ছন্ন করে রাখে । এজরা পাউন্ডের কথায়—” It is better to present one Image in a lifetime than to produce voluminous works”। কবি গৌতম বসুকে উৎসর্গ করা এই কবিতাগুলিতে যেন কৈলাসপর্বতে কাছে বসে তার ধ্যানমগ্ন এক ঋষি, যিনি শিবের সাধানা করছেন।

” বৃক্ষ বললেই উজবুক রৌদ্রে একা ঠায় দেঁইড়ে থাকা।” ( গাছ, পৃ: ৩৯)
এই লাইনটির মধ্যে একটি শব্দ “দেঁইড়ে” থাকা। এটি আমাদের পাড়ায় যারা গাজন যাত্রা করতে আসে তাদের ভাষা। বা জয়নগর-লক্ষীকান্তপুরের দিকে মানুষের মুখের ভাষা( আর কোথায় আছে, সে অভিজ্ঞতা নেই আমার)। এই কবিতাটির কাছে এসে মনে হয় শুধুমাত্র বাক্যটির ভিতর গাছকে নাড়িয়ে দেবার খেলা।

[ দিন আর রাত্রির মাঝামাঝি উড়ে আসে প্রেতপাখি, উড়ে যায়
তার ধূসর ঝোলানো লেজ, রক্তিম ঠোঁট, আলোর গোধূলি খুঁটে খায়

আমি তার পাখার বাতাস খেয়ে অচেতন সান্ধ্য-নিষাদ
তোমাদের দরজায় ফেরি করি পাখিমাংস, রক্তিম বিষাদ

আমায় নেবে না কেউ আমাকে নেবে না তুমি আমায়
নেবে না কোনোদিন
আমার নিষাদজন্মে কুয়াশাশরীর এই ভেদ করা ভীষণ কঠিন…]

( আধিভৌতিক, পৃ: ৩৫ )

এইভাবে অসংখ্য ‘আমি’ অসংখ্য ‘তুমি’ চিন্তার ভিতর সমাচ্ছন্ন করে রাখা। যতবার যেদিকে চিন্তা প্রক্ষালিত হচ্ছে প্রকৃত প্রস্তাবে ‘আমি ও তুমি’ মহাকাশের বা মহাভাবের এস্পার-ওস্পার করে জন্ম দিচ্ছেন এক একটি মহৎ কবিতার। কবি পার্থপ্রতীম কাঞ্জিলালের কবিতায় ” দ্রুতি-দীপ্তি-দ্যুতি তুমি অভিপ্রেত রণে সমর্পিতা ” ( কাব্যগ্রন্থ: দেবী )

কবি কৌশিক বাজারী এই কাব্যগ্রন্থটির মধ্য যে অনন্তকালের স্বর ফুটিয়ে তুলেছেন, তা পড়তে পড়তে মনে আসে কবি রবি ঠাকুরের লেখা—” আমাদের শাস্ত্রের আদিতে ওঁ, অন্তেও ওঁ। এই শব্দটিকেই পূর্ণের বাণী বলি। এই বাণী সত্যের অয়মহং ভো— কালের শঙ্খকুহরে অসীমের নিশ্বাস। ” ( অরবিন্দ ঘোষকে লেখা চিঠি, শান্তিলি জাহাজ, ১৯২৮)। এক আশ্চর্য উদাসী বাউল যিনি (“চন্ডালিকায়” ,”প্রকৃতি—সেই এক পথিক, মা, সেই এক পথিক। তার মধ্যে আছে বিশ্বের সকল পথের সব পথিক”) সমস্ত কবিতার মধ্যে ঘুরে বেড়ান। মাঝে মাঝে পথিমধ্যে কোনো শীতল ছায়ায় বসে যেন লিখে ফেলেন এক একটি মহত্তর কবিতা। অথবা লালনগীতি শুনতে শুনতে আলো ও অন্ধকারের ভিতর যেরকম ছটফট করে ওঠে প্রাণ। তেমনি এক সুপ্তি, যা ব্যাখ্যাতীত কোথাও। আর চাঁদ যখন জলে এসে পড়েছে, ভেসে ভেসে চলে, আমরা দেখে উদ্বেল হই। কোনোদিন তো তাকে দু’হাত দিয়ে তোলা যায় না, পুলকিত হই। আমার মনে হয় কবিতা ওরকম। কবি কৌশিক বাজারীর কবিতায় এমনি কোনো খনির ভিতর চাঁদ লুকিয়ে থাকে। কোনো একদিন বিকেলে বসে বসে কবিতাগুলি যখন স্পর্শ করছিলাম, তারপর সন্ধের তুলশীমন্দিরে মা এসে প্রদীপ দেন, হুলু দেন, শাঁখ বাজান। কবিতাগুলি শরীরের ভিতরে ডুবে গেছে তখন। আমি কান পেতে আছি নিরবধি শব্দে। ‘স্বয়ম্ভু’ কবিতার কিছু লাইন অংশত তুলে দিই —

” সংসার মাদুর-সম, বিছাও হে দেবী ঐ ঘাসে ঢাকা ভুবনডাঙায়
বরষার ছাদ নাই, আছে এক শমিবৃক্ষ, মড়া তার ঝুলে আছে ডালে
হাজার বছর ধরে এই বৃক্ষ ধরে আছে ছাতা আর ঋতু আসে যায়
গড়ানো পাথর ঐ যায় ভেসে যায় ধীর বহমান জলে…”

কবি কৌশিক বাজারী এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতাই সমকাল ভেদ করে চিরসময়ের কবিতা হয়ে উঠেছে। কোথাও মেধা, মননের পাশাপাশি নিজের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন আবার সেই নিজেরটুকু বলতে মহানভে ও মহাজগৎ বুঝি আমি। বারবার নিজেকেই একটি আশ্চর্য রূপান্তরের মধ্যে দিয়ে নিয়ে চলেছেন। তিনি যে বাংলা ভাষা শৈলীসৌকর্যের প্রতি অমোঘ প্রত্যাশী, তা “গোলাপসুন্দরীর প্রতি এই স্থলপদ্ম নিবেদন করি” ( পৃ: ১৩) এই কবিতাটিতে
প্রথমেই লিখছেন ” এত ভাষার ক্রূরতা! নিশিবিজ্ঞাপন! সহ্য হয়না ঠাকুর—” । এইসব দ্বন্দ্বের
বাইরে বেরিয়ে তিনি নিজস্ব শিকড় গেঁথে, উত্থান ও পতনের নিয়ম জেনেই চলে যান এমন এক পথে যে পথ নির্ঝরের চঞ্চলতা ও উচ্ছল হিরণ মনে হয়।

[যদি খোকা না হয়ে সকালবেলার ঘাসেদের মধ্যে গিয়ে জেগে উঠি আজ, ভেবে দ্যাখো মা, আমি ঐ রূপকথাগাছটির বন্ধু হলাম এইমাত্র ! আর বাবার বন্ধু চেরাইকলের মালিক এসে জরিপ করছেন আমার পা থেকে মাথা অবধি। তীক্ষ্ণ করাতের মতো দাঁত হেসে উঠছে রোদে। বাবা বুঝিয়ে দিচ্ছেন কীভাবে মগডালে ফাঁস ছুড়ে আমাকে পেড়ে ফেলা হবে উঠোনের মাঝ বরাবর।

নতুন পালঙ্ক হলে, মা তুই শুয়ে থাকবি চাদর বিছিয়ে।শুকনো গাছের পাতা উড়ে আসব ফের তোর কোল ভারি ক’রে…]

( যদি খোকা না হয়ে, পৃ: ত৭)

কাব্যগ্রন্থ— নাচে জন্ম নাচে মৃত্যু
কবি কৌশিক বাজারী
প্রকাশকাল—২০১৫
প্রচ্ছদ—বাসুকী দাশগুপ্ত
প্রকাশনা— রাবণ, ফোন নং : ৯০৫১২০৯১৪৭
মূল্য—একশো টাকা

CATEGORIES
TAGS
Share This

COMMENTS

Wordpress (1)
  • comment-avatar
    স্বাগতা চৌধুরী 9 months

    আমার প্রিয় কবি কৌশিক বাজারী। ব‌ইটি নিয়ে কি আর বলি। রঘু জাগুলিয়ার আলোচনা খুবই মনোজ্ঞ। চিরসময়ের কবিতা। যতবার পড়েছি, নতুন একটি রং দেখেছি।