রিনি গঙ্গোপাধ্যায়ের গল্প ‘ পৃথুলা এবং’

রিনি গঙ্গোপাধ্যায়ের গল্প ‘ পৃথুলা এবং’

প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় লোকটার হাতটা উষ্ণ প্রস্রবণের মতো সারা শরীরে বইছিল; তেতে ওঠা গরম ও নরম নগ্নতা হোটেলের শীত জমা স্যাঁতস্যাঁতে বিছানাকে ওম দিচ্ছিল। অথবা প্রতি রাতে এমন করে পুড়ে যাওয়া এই বারোয়ারি বিছানার অভ্যেস হয়ে গেছে। যেমন করে এই মেয়েটির সহ্য হয়ে গেছে তার প্রেমিকের আদরের আড়ালে নানা যৌন অত্যাচার।
‘প্রেমিক’ শব্দটি কি ঠিক বলা হল! এই লোকটি, যার বয়স তার প্রায় দুগুণ সেকি মেয়েটির প্রেমিক! বরং জয় গোস্বামী ধার করে তাকে বলা যায় আদর করার লোক। সে যাই হোক!
এখন এরকম কড়া পড়ে কালচে হয়ে যাওয়া শক্ত ঠৌঁট আর পাইরিয়া হওয়া সবুজ দাঁতের তীব্র ব্যবহারকেই তার আদর বলে মনে হয়। স্তনবৃন্ত চিমটে করে কামড়ে ধরে লোকটি যখন অন্য স্তনে পেশীশক্তির আস্ফালন করে তখন, কেবল তখনই তীক্ষ্ণ যন্ত্রণায় তার আবেগ উদ্বেলিত হয়ে উঠে গুহাপথ নরম করে দেয়। সকালে স্নানের সময় বৃন্তের ডগায় কালচে রক্ত বিন্দু দেখে তার তৃপ্ত মন লজ্জিত হয়। অন্তর্বাস পড়ার সময় আড়ষ্ট ব্যথা টনটনিয়ে ওঠায় তার জীবনে অনিবার্য পুরুষ সঙ্গীর উপস্হিতির হদ্দো-মুদ্দো উপলব্ধি হয়। যে অনিবার্যতা বিকশিত হওয়ার দীর্ঘ অপেক্ষায়, বঞ্চনায়, উপেক্ষায় নষ্ট হতে চাওয়া বয়স তার কাছে চেয়েছে।
অথবা তারই শোবার ঘরের মেঝেতে হঠাৎ দুহাতের শক্ত বাঁধনে সতর্ক ও নরম হওয়ার আগেই যখন মাটির কলসির ফাঁকে ছাল ছাড়ানো অর্জুন ডাল হিসহিসে বাদ্যি বাজায় তখন লাল হয়ে যাওয়া মেঝে তাকে দেয় আসঙ্গ সুখ।
ওদিকে রাতে ঘুমানোর সময়টুকু ছাড়া অন্য সব সময় মা জোর করে অন্তর্বাস পড়তে বাধ্য করে।
‘বাড়িতে থাকার সময়টা এসব না পড়াই ভালো। ডাক্তাররাও তাই-ই বলে।’
‘সে রোগা রোগা হলে একরকম! সবাইকে সব কিছু করতে নেই।’
‘এটা রোগা-মোটার ব্যাপারই নয়! শোনোনি সেদিন আধুনিক এক অভিনেত্রি কী বলেছেন!’
‘কী বলেছেন?’
‘পুরুষরা মেয়েদের বুকের দিকে তাকানো বন্ধ করলে মেয়েদের আর ব্রা পড়ার দরকার হবে না।’
মা উত্তরে বেসিনে গিয়ে একখাবলা ঘৃণা ছুড়ে দেয়।
ওদিকে মেয়েটি আবারও ফিকির করে; দু-একদিনের ছুটি; লোকটির তীব্র পেষণে নিজেকে ছেড়ে দিয়ে মুক্ত হয়। আদর অথবা যন্ত্রণায় স্ফীত হচ্ছে তার দেহ। সে লক্ষ করেছে তার স্তন তার শরীরের আগে হাঁটে। তবু ওড়না নেওয়ার লজ্জা তার নেই। অন্তর্বাসের বহর দিনে দিনে তার বাড়ছে! প্রায় নতুন ছেড়ে নতুনতরর খোপে আটকা পড়ছে তার বক্ষোদেশ; তবু বিরাম নেই! ক্লিষ্ট হয়ে যাওয়া পেষণ নাগরিক আলবোলায় ভরে তার শরীরকে শুধু ধোঁয়াটে বুদবুদ ছাড়া আর কি দিতে পারে! অভ্যেসও যে কখনো কখনো পাশ ফিরে শুতে চায়!
সেদিন ল্যাডারে উঠে চলছে ঘর ঝাড়া পোঁছার কাজ; সেফটি গার্ডের মতো মা নিচে দাঁড়িয়ে। হঠাৎই মায়ের মুখ বিকৃত, ‘তিরিশের কোঠা পেরোইনি; এখনই সব থলথল করছে!’
সঙ্গে সঙ্গে সে খেয়াল করেছে টি-শার্টের আবরণে বন্ধনহীন তার বক্ষ। নিজের দিকে একপলক তাকিয়েই আজ প্রথমবার তার লজ্জিত হওয়ার পালা। এ লজ্জা পূর্বরাগ-অনুরাগের নয়! খাপ পঞ্চায়েতের মোড়লেদের সামনে দোষী প্রমাণিত হওয়ার সামাজিক লজ্জা, অপমান।
আজ আর তাই মা’কে কোনো আধুনিকতার পাঠ পড়ানো যায় না।মাথার ওপর চিল ঠোকরানোর মতো ঠুকরে দিয়ে যায় দুটি শব্দ– কৌমার্য আর অবৈধ। একটি পবিত্র! অপরটি অপবিত্র?
মেয়েটি ইন্টারনেটে খোঁজ খবর নিতে শুরু করে। সেখানে স্তনের আকার বৃদ্ধির নানা বৈজ্ঞানিক কারণ ও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। সমাধান ঘরোয়া হতে পারে; আবার কসমিক সার্জারি করে ব্রেস্ট লিফটিংও করা সম্ভব। মেয়েটি ভাবে সে কসমিক সার্জারি করবে। কিন্তু লোকটা আপত্তি জানায়। বিশ্রী একটা হাতের ইশারা করে সে বলে, একদম মাপ মতো করে নিয়েছি; নো চেঞ্জ।

আজকাল যে কি হয়েছে! রাস্তা দিয়ে হাঁটতে গিয়ে কেবলই নজরে আসে বুক, বুকের আয়তন। সেই সঙ্গে ওমনিই একটু চোখ ছুঁয়ে যায় সিঁথির প্রান্ত। লাল রঙের সঙ্গে স্ফীত বক্ষ মানানসই। টেলর মঞ্জু দি তো একথাও বলে, বাম স্তন ভারী হলে বোঝা যায় বর-সোহাগী। অথচ তার তো জুটেছে এক বিবাহিত মতলববাজ! ছিঃ, এমন করে কেউ বলে! যৌনতাকে প্রেমের মোড়কে মুড়িয়ে চেখে দেখার চেয়ে কাম্য আর কী হতে পারে! তাই মেয়েটি ফিতে দিয়ে একদিন মাপার চেষ্টা করেছিল তার অবৈধ বক্ষোদেশ; তার তো ডানদিকটাই বড়ো মনে হলো। গড়িয়াহাটের ফুটে ম্যাক্সি দেখতে দেখতে কখন যে চোখ চলে গেছে পাশে দাঁড়ানো মেয়েটার গলার নিচে। মেয়েটা বেশ মোটা। সেই মতোই তার স্তন দুটি। মেয়েটি তো এখনো বিয়ে করেনি; অথচ স্তনের আয়তন… তাহলে কি তার মতোই আদর করার কোনো লোক আছে মেয়েটির!
মেয়েটি তার বন্ধুর সঙ্গে বিয়ের আলোচনায় ব্যস্ত… কি হবে ওর বর যদি ফুলশয্যার রাতে সব বুঝতে পারে? একথা জিজ্ঞেস করায় লোকটি বলল, ‘এসব মধ্যযুগীয় ধারণা থেকে বেরো তো! ওসব কিচ্ছু বোঝা যায় না। বোঝা যাবেও না। গ্যারেন্টি!’
তবু রাস্তা-ঘাটে,ট্রেনে-মেট্রোয়, বাসে-অটোতে, বিয়ে-শ্রাদ্ধে নজরে পড়ে যাবেই কারো না কারো বক্ষোদেশ। সেজেগুজে অন্য পুরুষের চোখে মোহময়ীর ঝিলিক লাগল কি না সে খেয়াল নেই! শুধু শকুনের শ্যেন দৃষ্টি দিয়ে পরিমাপ ধরে রাখা। দেখতে দেখতে কত কিই যে জানা হলো! রোগা হাড় গিলগিলে বেশ কিছু মেয়েরা প্যাড দেওয়া ব্রা পড়ে। আবার বেশ ভারীর দিকে যাদের তারা কিছুটা মাংসপিণ্ড উপরের দিকে ঠেলে আলগা ছেড়ে দেয়! আঁচলের তলায় সেই মাংসল হাতছানি অভিজ্ঞ পুরুষের চোখ এড়িয়ে যাওয়ার কথা নয়। বয়স্ক অথচ রোগা নারীরা খুব টাইট ব্রা পড়েন; শরীরের শিথিলতাকে লুকোতে চান। আবার কিছু আছে তার মতো। ছড়ানো উদারতা তারা দিব্য উপভোগ করে।
সেদিন নাটকের ড্রেস- রিহার্সালে অনুত্তমা খোলামেলা পোশাকে হিরোইন। তাকে আকর্ষণীয় করার জন্য ড্রেসার ওর বক্ষোদেশ বিশেষ কায়দায় ভারী করে তুলেছে। মেয়েটা অভিনয় দেখতে দেখতে টের পাচ্ছে তার ভেতরে একটা অস্বস্তি! হাত ঘেমে যাচ্ছে তার; মুখের মধ্যে জলজলে নালানি; ছুটে যেতে ইচ্ছে করছে তার অনুত্তমার দিকে। দু হাতে যদি ছিঁড়ে ফেলা যায় ওর বক্ষোবন্ধনী! যদি মুখ ডুবিয়ে দেওয়া যায় গোলাপি বৃন্তে! কালো নয়, খয়েরি নয়, গোলাপি! কয়েকবছর আগে তার যেমন ছিল!
এ কি! এমন ইচ্ছে তো তার হওয়ার কথা নয়! তেমনটা হলে কী হতো বলা মুশকিল! কিন্তু সে তো তেমন নয়! তাহলে মেয়েদের বুকের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে কি দেখে সে! শুধু কি দেখে! কী যেন একটা খুঁজছে না সে!
আজকাল ক্রমশ চোখ আবদ্ধ হতে থাকে অল্পবয়স্ক সদ্য কুঁড়ির দিকে! আর চোখ আটকে গেলেই হাত নিশপিশ করে! খুলে দেখতে ইচ্ছে হয় কেমন! কতটা পেলব! একবার হাত বুলিয়ে দিতে ইচ্ছে করে! কখনো কখনো মেয়েটা তার আদরের লোকটাকে ডেকে দেখায়, ‘দেখছো, ওই যে কাঁচা হলুদ ফ্রক! ছোট্ট অথচ… ডানদিকের ফুটপাতে দেখোনা কালো টপ….কেমন উঁচু…’
লোকটা গল্প করে বিদেশে দেখা এক বিশেষ নাটকের, যেখানে অভিনয় করে শুধু মেয়েরা; এবং নগ্ন, ‘তাদের মাইদুটো জানিস তো সোজা সোজা, একটুও ঝুলে পড়েনি!’
‘তাই! কি করে হয়!’
‘ওসব কায়দা থাকে। সত্যি ওরম হয় নাকি!’
ভিডিও কল করতে করতে লোকটা কখনো কপট রাগ করে, ‘কি রে! সাইজটা একটু বেশি বড়ো মনে হচ্ছে না!’
মেয়েটা তখন আয়নায় খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে।ফিতে দিয়ে মাপে। তার মনে পড়ে যায় কুঁড়ির কথা। ‘ইস্ যদি একবার দেখা যেত!’
পোয়াতি কুকুরের ফুলে ওঠা বৃন্ত তার চোখ টানে। আর বাচ্চাগুলো যখন দুধ খেতে শুরু করে তখন ভিজে ভিজে গোলাপি আভা… ‘ইস্ আঙুল টা যদি ছোঁয়ানো যেত!’
ভাবতে ভাবতে নিজের বৃন্তই আয়নায় একবার ঘষে নেয় সে। আনমনে তাকিয়ে থাকে বোঁটার কালোয়! ছেতড়ে যাওয়া স্তন হাতড়ে হাতড়ে তার ফিরতে ইচ্ছে করে সদ্য কুঁড়ির বেখায়ালে; নিটোল ভরভরন্ত সচেতনে; প্রেমিক থেকে বর হয়ে যাওয়া সেই প্রথম পুরুষ- স্পর্শের লজ্জায়, নতুন মায়ের গলিত স্নেহে…. সব যেন সে এক আঙুলের স্পর্শে অনুভব করতে চায়!
আয়না দেখে চোখ বন্ধ করে এক নারী সব অসামাজিকতার অসহায়তা যা এতোকাল নিয়ম ভাঙার ঔদ্ধত্যে স্পর্ধিত হয়ে ছিল দূরে ঠেলে দিয়ে আঙুলে জড়িয়ে নিতে চাইছে জীবনের সহজ চাওয়া-পাওয়াকে…
আমি

CATEGORIES
TAGS
Share This

COMMENTS

Wordpress (0)
demon slauer rule 34 lena the plug leak amateurtrheesome.com cumming in milfs mouth mujer haciendo el amor a un hombre, belle delphine of leaked emma watson in porn xxxamat.com big booty in public hidden cam gay sex, sit on face porn g a y f o r i t forcedpornanal.com please screw my wife female celebrity sex tapes
410 Gone

410 Gone


openresty