মহাভারতের মহারণ্যে <br />তৃতীয় পর্ব <br />সপ্তর্ষি বিশ্বাস

মহাভারতের মহারণ্যে
তৃতীয় পর্ব
সপ্তর্ষি বিশ্বাস

দূর-অদূর পর্ব

৩।
বারানাবতে, জতুগৃহ থেকে পালিয়ে বেঁচে এবং তারপর বেঁচে থাকবার, দুর্যোধনের নজর এড়িয়ে, ধরা না দিয়ে, বন থেকে বনান্তরে, গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ঘুরে বেড়ানোর যে পর্ব তা এই মাতা এবং পঞ্চপুত্রের জীবনে দ্বিতীয় প্রাসাদমস্তিহীন পর্যায়। বনে তাদের জন্ম। তাদের বেড়ে ওঠা। তবে পালিয়ে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা এই প্রথম। হ্যাঁ, এ নিতান্ত পালিয়ে বেড়ানোই। পলাতক গেরিলার মতো শস্ত্র ও সৈন্য সংগ্রহের নিমিত্ত কি? মনে হয়না। কেননা এই পর্বে দুর্যোধনের বিপক্ষে যুদ্ধের বিশেষ কোনো আগ্রহ দেখিনা। বরং এ পালানোকে ইঁদুর-পালানোই মনেহয় যখন শুনি ‘লেখক ব্যাস’ বলছেনঃ “ তত্ত্বদর্শী মহাত্মা বিদুর … কুন্তীর নিকটে গমন করিয়া কহিলেন, “হে শুভে! কুরুকুলের কীর্তিনাশক বিপরীতবুদ্ধি দুরাত্মা ধৃতরাষ্ট্র নিত্যধর্ম্ম (চিরন্তন ধর্ম্ম) পরিত্যাগ করিতে উদ্যত হইয়াছেন, অতএব তুমি এই উত্তালতরঙ্গ বেগসহা তরণী আরোহণ করিয়া সন্তানগণ-সমভিব্যাহারে ত্বরায় পলায়ন কর, তাহা হইলেই তোমাদিগের প্রাণরক্ষা হইবে, নচেৎ আর নিস্তার নাই।”
তবে এই পর্বের গভীরে প্রবেশের আগে দেখে ও দেখিয়ে নিতে চাই আবহের কিছু কিছু দৃশ্যকে। কালী সিংগীতে ১৪১ থেকে ১৫০তম অধ্যায় – এই কাহন আর ব্যাস মহাভারতে ১৫১তম অধ্যায়ে কাহিনীর সূত্রপাত এই শিরোনামেঃ যুধিষ্ঠিরঃ ‘সাম্রাজ্যেঽভিষেক্তব্য ইতি পৌরবার্তাং শ্রুৎবা ব্যথিতস্য দুর্যোধনস্য পিত্রা সংবাদ’।
অর্থাৎ প্রথমেই ‘লেখক ব্যাস’ বলছেন কি হেতু এই গুপ্তহত্যার পরিকল্পনা নিতে হলো দুর্যোধনের তার গুহ্য কারণ। কারণ, প্রজা সমূহের মতামত। অন্ততঃ এমনি বলছেন ‘লেখক ব্যাস’। “পুরবাসীরা পাণ্ডবগণকে অশেষ-গুণসম্পন্ন দেখিয়া সভামধ্যে তাঁহাদের গুণগ্ৰাম বৰ্ণনা করিতে আরম্ভ করিল। তাহারা কি সভামণ্ডলে, কি চত্বরে, একত্ৰ হইলেই কহে যে, “মহাত্মা পাণ্ডুর জ্যেষ্ঠতনয় যুধিষ্ঠিরই রাজ্য পাইবার উপযুক্ত পাত্র। প্রজ্ঞা চক্ষু রাজা ধৃতরাষ্ট্র জন্মান্ধ বলিয়া পূর্ব্বে রাজ্য প্রাপ্ত হয়েন নাই, তবে তিনি কি বলিয়া এক্ষণে ভূপতি হইবেন? সত্যপ্রতিজ্ঞ মহাব্ৰত শান্তনুনন্দন ভীষ্ম রাজ্য লইবেন না বলিয়া পূর্ব্বে প্রতিজ্ঞা করিয়াছেন; সুতরাং তিনিও রাজ্যভার বহন করিবেন না; অতএব আমরা যুদ্ধ-বিদ্যাবিশারদ তরুণবয়স্ক ধর্ম্মাত্মা পাণ্ডবজ্যেষ্ঠকে রাজ্যে অভিষিক্ত করিব। সেই ধর্ম্মাত্মা সত্যশীল, কারুণ্যসম্পন্ন ও বেদবেত্তা; তিনি অবশ্যই শান্তনুতনয় ভীষ্ম ও পুত্ৰগণ সমবেত ধৃতরাষ্ট্রকে যথোচিত পূজা করিবেন এবং তাহাদিগকে বিবিধ রাজভোগ প্ৰদান করিবেন।” এখানে কোনো বিশেষ পুরবাসীর কিংবা প্রভাবশালী প্রজা বা প্রজাদিগের নামোল্লেখ নেই। ব্যাসে বিদুরের উল্লেখ আছে বটে তবে তা এইভাবেঃ
পাণ্ডবা অপি তৎসর্বং প্রতিচক্রুর্যথাবলম্। উদ্ভাবনমকুর্বন্তো বিদুরস্য মতে স্থিতাঃ॥ ১-১৫২-৩
তাহলে কি আমরা মনে করে নিতে পারি, যে, মহাভারত-সময়ে প্রজাদের এমনই ক্ষমতা ছিল, যে তারা স্থির করে ফেলতে পারে কাকে রাজপদে অভিষিক্ত করবে? প্রকৃতই কি প্রজামত ছিল এমনই যে সুমহান রামচন্দ্রকে, সত্যই, প্রজাদের মন রাখতে সীতাকে পাঠাতে হয়েছিল বনবাসে? নাকি সমস্তটাই একটা অছিলা? রামগল্পের বিশ্লেষণ আপাততঃ আমার উদ্দেশ্য নয়। মহাভারত থেকে পাওয়া উপসংহার বা সিদ্ধান্তকেই আমি ‘প্রোজেক্ট’ করবো রামগল্পেও। তাই মহাভারতের এই পর্বে ‘প্রজা’র ভূমিকাটা দেখেনিই আরো একটু তলিয়ে।
এই পর্বে প্রজা একটি ‘ফ্যাক্টর’ হয়ে এসেছে চারবার। প্রথমবারের কথা উল্লেখ করেছি। ২য় বারের কথা উহ্য রেখে আমরা যাই ‘প্রজা-ফেক্টরের’ ৩য় দৃশ্যে, যেখানে “তদনন্তর তাহারা সমস্ত মাতৃগণকে প্ৰদক্ষিণ করিয়া তাঁহাদের অনুমতি গ্রহণ করিলেন এবং সমুদয় প্ৰজাগণকে বিনয়নম্রবচনে সাদর-সম্ভাষণ করিয়া রথে আরোহণপূর্ব্বক বারণাবত নগরে যাত্ৰা করিলেন। মহাপ্ৰজ্ঞ বিদুর প্রভৃতি অনেক কুরুবংশীয় ও পৌরবর্গ শোকাকুলিতচিত্তে তাহাদের পশ্চাৎ পশ্চাৎ গমন করিতে লাগিলেন।“
এখন পিভিআর যুগ। সিনেমাস্কোপের কালে, সেই বিশাল ছড়ানো পর্দায় এই রাজা বৎসল প্রজা আর প্রজা বৎসল রাজার আকুলিবিকুলি পীরিতছবি, আবহে ইমন কিংবা বেহাগে, বাগেশ্রী বা পটমঞ্জরী আমার বেশী পছন্দ, অবশ্যই বেহালায়,ধীর লয়ে বাজিয়ে দিয়ে, ক্যামেরাকে দাঁড় করিয়ে রেখে হেঁটে হেঁটে এই দলটির দিগন্তে মিলিয়ে যাওয়া, উফ্‌। তবে রাজা ও প্রজার এমন পীরিতাচরনের সাক্ষ্য ইতিহাসে নেই। তাই হালের মোহনদাস করমচাঁদকেও চেষ্টা নিতে হয়েছে শ্রেণী সমঝোতার, শ্রেণী আপোষের। যাইহোক এখানে দেখা পাচ্ছি নামহীন আরো কয়েকজন মহাত্ননেরঃ “কতিপয় সাহসিক ব্রাহ্মণ পাণ্ডুনন্দনগণের দুঃখে যৎপরোনাস্তি দুঃখিত হইয়া নিৰ্ভয়চিত্তে কহিতে লাগিলেন, “কুরুকুলকলঙ্কী৷ মন্দবুদ্ধি ধৃতরাষ্ট্র কেন এরূপ অধৰ্মানুষ্ঠান করিতে উদ্যত হইয়াছেন? দেখ, মহাত্মা মাদ্রীনন্দনদ্বয়, পুণ্যশীল যুধিষ্ঠির, মহাবলপরাক্রান্ত ভীমসেন ও ধনঞ্জয় ইহারা কখনই ধৃতরাষ্ট্রের অনিষ্টাচরণে প্রবৃত্ত হয়েন নাই; তথাপি তিনি ইহাদিগকে স্বীয় পিতৃরাজ্যে অধিকার প্রদান করিলেন না। মহাত্মা ভীষ্মই বা কি প্রকারে পাণ্ডবগণের নির্ব্বাসনারূপ নিতান্ত অধর্ম্ম ও একান্ত অশ্রদ্ধেয় বিষয়ে অনুমোদন করিলেন?…” ইত্যাদি ইত্যাদি। শ্রেণী হিসাবে ব্রাহ্মণদিগকে এমন সাহস দেখাতে আমরা আর দেখিনি কোথাও। বরং বিপরীত উদাহরণ অনেক। অনেক অনেক। দ্রৌপদীর বাপের রাজ্যে ডাকা স্বয়ংবরের দৃশ্যেই যেমন …। ব্রাহ্মণের তেজ দেখানোর প্রক্রিয়াটি আদতে অন্য। এরা অভিশাপ টভিশাপ দিয়ে তেজ দেখায়। তন্ত্রমন্ত্র করে। কিন্তু মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, তা’ও দুর্যোধনের মুখোমুখি। বিশ্বাস হয়না। ভাবি, বিশ্বাস হয়েছিল কি স্বয়ং ‘লেখক ব্যাসের’?
আসি ‘প্রজা ফোকাস্‌ড’ ৪র্থ ছবিতে। অপারেশন বারানাবত, সকলেই ভাবছে, সাক্সেসফুল। পুড়ে যাওয়া জতুগৃহ আর তাতে কুন্তীর দ্বারা খুন হওয়া মা সহ পাঁচ ব্যাধের পোড়া লাশ।
রজনী প্ৰভাত হইলে। “পৌরগণ পাণ্ডুনন্দনদিগকে দেখিবার নিমিত্ত তথায় আগমন করিয়া অগ্নিনির্ব্বাণানন্তর দেখিল যে, জতুগৃহ দগ্ধ হইয়াছে এবং অমাত্যপুরোচন ভস্মসাৎ হইয়াছে। তখন তাহারা যৎপরোনাস্তি শোকার্ত হইয়া রোদন করিতে করিতে কহিতে লাগিল, “হায়! পাপকর্ম্ম দুৰ্য্যোধনই পাণ্ডবগণকে বিনাশ করিবার নিমিত্ত এই গৰ্হিত কাৰ্য্য করিয়াছে। এই কর্ম্ম অবশ্যই ধৃতরাষ্ট্রের জ্ঞাতসারে হইয়াছে। তিনিও স্বীয় পুত্রকে ঐ গৰ্হিতানুষ্ঠান হইতে নিবৃত্ত করেন। নাই; মহাত্মা ভীষ্ম, দ্রোণ, বিদুর ও কৃপ ইহারাই বা কি বলিয়া এই নৃশংস কাৰ্য্যানুষ্ঠানে অনুমোদন করিলেন? যাহা হউক, আইস, আমরা দুরাচার ধৃতরাষ্ট্রের নিকট “তোমার মনস্কামনা সিদ্ধ হইয়াছে, তুমি পাণ্ডবগণকে দগ্ধ করিয়াছ বলিয়া সংবাদ পাঠাই।”
অথ রাত্র্যাং ব্যতীতায়ামশেষো নাগরো জনঃ।
তত্রাজগাম ৎবরিতো দিদৃক্ষুঃ পাণ্ডুনন্দনান্॥
নির্বাপয়ন্তো জ্বলনং তে জনা দদৃশুস্ততঃ।
জাতুষং তদ্গৃহং দগ্ধমমাত্যং চ পুরোচনম্॥
নূনং দুর্যোধনেনেদং বিহিতং পাপকর্মণা।
পাণ্ডবানাং বিনাশায়েত্যেবং তে চুক্রুশুর্জনাঃ॥
বিদিতে ধৃতরাষ্ট্রস্য ধার্তরাষ্ট্রো ন সংশয়ঃ।
দগ্ধবান্পাণ্ডুদায়াদান্ন হ্যেতৎপ্রতিষিদ্ধবান্॥ [ ১-১৬২-১ থেকে ১-১৬২-৪

আশ্চর্য! না’তো এই দুর্যোধন বিরোধী প্রজা, জনতা সক্ষম হয়েছিল এই বারানাবতে যাওয়া আটকাতে না’ত তারা করলো কোনো বিদ্রোহ, এইবার, যখন তাদের চোখের সামনে পড়ে আছে তাদের প্রাণপ্রিয় রাজন্যবর্গের লাশ! বরং খানিকটা গুজ গুজ ফুসফুস করে বল্লো, ‘চল ধৃতরাষ্ট্রকে তার কৃতকর্মের”, না “শাস্তি” নয়, স্রেফ “সংবাদ দিই গে”। এই তো ‘প্রজাসুলভ’ কথা। কিভাবে বিশ্বাস করি এদের মধ্যে দশরথ,রাম, দুর্যোধন কেউ কোনোদিন টের পেয়েছে কোনো বিদ্রোহের প্রস্তুতি-স্ফুলিঙ্গের? বরং রাম ভয় পেয়েছিল শম্বুককে। তাই খুন করে দিয়েছিল। পান্ডবদের মহাগুরু দ্রোনের ভয়োদ্রেক হয়েছিল একলব্য দ্বারা। দিয়েছিল আঙ্গুল কেটে। অর্থাৎ যেখানেই, যখনি, এই রাজশক্তি, পরে, ক্রমে যা সাম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিশক্তি, যেখানেই চিনতে পেরেছে কোনো তিতুমীরকে, কোনো ভগৎ সিং, সরোজ দত্ত, চারু মজুমদার, কিষেণজী কিংবা উমর খালিদ কে, দিয়েছে তখুনি খতম করে।
আর যাদের ‘খতম’ করবার করকার নেই তাদেরকে লেলিয়ে দিয়েছে সমঝোতায়, শ্রেণী সমঝোতার দালালিতে। ঠিক যেমন এই পর্ব মহাভারতের এতোক্ষন উহ্য রাখা ‘প্রজা-ফোকাস্‌ড’ সীন ২’তেঃ
“এদিকে যাবতীয় অনন্তর অনুজগণসমবেত দুৰ্য্যোধন ধন ও সমুচিত সম্মান-প্ৰদান দ্বারা ক্ৰমে ক্রমে সমুদয় প্ৰজাগণকে বশীভুত করিল”।
ততো দুর্যোধনো রাজা সর্বাস্তু প্রকৃতীঃ শনৈঃ। অর্থমানপ্রদানাভ্যাং সংজহার সহানুজঃ। `যুয়ুৎসুমপনীয়ৈকং ধার্তরাষ্ট্রং সহোদরম্॥’ [ ১-১৫৫-১]

অর্থাৎ ‘প্রজা’দেরকে তখনো কেনা যেতো। এখনো যায়। এখন তাদের নাম ‘ভোটার’। কেনা যায় সরাসরি অর্থের বিনিময়ে। যায় নানা রকমের মুলা-গাজর, ‘রাম রাজত্ব’, ‘আচ্ছে দিন’ দর্শিয়ে। হ্যাঁ, প্রজাদের এই ভূমিকা গুলি, পর পর এনে ফেলে, এখানেও ‘কবি ব্যাস’, ‘লেখক ব্যাস’ আবারো জানান দিলেন, যে, ‘চরিত্র ব্যাস’ থেকে তিনি দূরেই দাঁড়িয়ে আছেন। জাজান দিচ্ছেন ‘প্রজা’দের এই ‘পান্ডব প্রীতি’ও আদতে মাছের মায়ের রোদনহেন কিছু একটাই, জানান দিচ্ছেন এই ‘প্রজা’দের প্রতি বাবু যুধিষ্ঠিরের ‘ভালবাসা’টিও তদ্রূপ কেননা পরে, এদেরই তো যুদ্ধে নিয়ে মরণের মুখে ঠেলে দেবেন যুধিষ্ঠির। এবং যদি এ’ও বলি, যে, চসারের ‘ক্যান্টারবেরী কাহন’ যেমন মহতী সেই ‘ধর্মযুদ্ধের’, ‘ক্রুসেডের’ স্বরূপটি উদ্ঘাটন করে, তেমনি রাজতন্ত্রের স্বরূপটিকে চিনিয়ে দেওয়াও ‘মহাকবি ব্যাস’ এর একটি উদ্দেশ্য তাহলে কি খুব ভুল হয়?
ভুল যে হয়না সে’ও বলে দিয়েছেন স্বয়ং ‘কবি ব্যাস’ই। এই পর্বেই। কেন বিদুরকে হেঁইয়ালীর সাহায্য নিয়ে যুধিষ্ঠিরকে জানাতে হয়েছিল জতুগৃহ চক্রান্তের কথা? কেননা, অন্যথায় ডর ছিল দুর্যোধন টের পেলে গর্দানটি হারাবার আর পুত্রের এহেন আবদারে যেহেতু সায়, অন্তিমে, সততই, দিয়েছে ধৃতরাষ্ট্র, অতএব ‘কথা ইশারা বটে’র অনন্য প্রয়োগ করলো বিদুর আর যেহেতু ‘কবি ব্যাস’কেও বাস করতে হয়েছিল কোনো না কোনো রাজার রাজ্যে, আমলে, অতএব তাঁর পক্ষেও সরাসরি রাজতন্ত্রের সমালোচনা করাটা ছিলনা খুব নিরাপদ।
কাজেই শ্রীরামচন্দ্রও যে ‘প্রজা’দের মুখ চেয়েই সীতাকে বনে পাঠিয়ে ছিল এমনটি ভেবে নেওয়ার কোনো হেতু নেই। প্রজাদের মুখ কি করে বন্ধ করতে হয় তা যে দশরথ বা রামচন্দ্র ভালোই জানতো এ নিয়ে সপ্রমাণ আলোচনা করবো অন্যত্র।
এবারে ফিরে যাই জুজু-ভয়ে পালিয়ে বেড়ানো মাতাসহ রাজকুমারদের ‘ট্র্যাজিক’ সীনে।

CATEGORIES
TAGS
Share This

COMMENTS

Wordpress (0)